ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফকির লালন সাঁইয়ের দানবাক্সে ১৫ দিনে জমা ৮ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:১৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৮ Time View

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় সাইঁজির বারামখানা খ্যাত ফকির লালন শাহের আখড়াবাড়ির দানবাক্স মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে পুনরায় খোলা হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে দানবাক্সে সংগৃহীত মোট ৮ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা পাওয়া যায়।

এদিন সকাল পৌনে ১১টার দিকে লালন একাডেমি প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে দানবাক্স দুটি সিলগালা কেটে খোলা হয়। এ সময় কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. জাকির হোসেন, কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাইসুল ইসলাম এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সাঁইজির ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে আখড়াবাড়িতে লাখো ভক্ত ও দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে। উৎসব শেষ হওয়ার সাতদিন পর দানবাক্স দুটি খোলা হয়।

এর আগে, গত ১০ অক্টোবর প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে দানবাক্স খোলা হয়েছিল, যেখানে ৬ লাখ ৪৯ হাজার ৩৪৮ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। এই টাকা পরবর্তীতে লালন একাডেমির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়।

কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাইসুল ইসলাম জানান, “ফকির লালন শাহের দুটি প্রধান বার্ষিক উৎসবকে কেন্দ্র করে বছরে সাধারণত চারবার দানবাক্স খোলা হয়। আজকের দানবাক্স খোলার পর সংগৃহীত সব টাকা লালন একাডেমির নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা করা হচ্ছে।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ডি-থ্রি ট্রফির নিলামে শরীফুলের রেকর্ড, তাসকিনের দাম ২ কোটি ১০ লাখ পয়েন্ট

ফকির লালন সাঁইয়ের দানবাক্সে ১৫ দিনে জমা ৮ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা

আপলোড সময় : ০৪:১৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় সাইঁজির বারামখানা খ্যাত ফকির লালন শাহের আখড়াবাড়ির দানবাক্স মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে পুনরায় খোলা হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে দানবাক্সে সংগৃহীত মোট ৮ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা পাওয়া যায়।

এদিন সকাল পৌনে ১১টার দিকে লালন একাডেমি প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে দানবাক্স দুটি সিলগালা কেটে খোলা হয়। এ সময় কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. জাকির হোসেন, কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাইসুল ইসলাম এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সাঁইজির ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে আখড়াবাড়িতে লাখো ভক্ত ও দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে। উৎসব শেষ হওয়ার সাতদিন পর দানবাক্স দুটি খোলা হয়।

এর আগে, গত ১০ অক্টোবর প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে দানবাক্স খোলা হয়েছিল, যেখানে ৬ লাখ ৪৯ হাজার ৩৪৮ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। এই টাকা পরবর্তীতে লালন একাডেমির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়।

কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাইসুল ইসলাম জানান, “ফকির লালন শাহের দুটি প্রধান বার্ষিক উৎসবকে কেন্দ্র করে বছরে সাধারণত চারবার দানবাক্স খোলা হয়। আজকের দানবাক্স খোলার পর সংগৃহীত সব টাকা লালন একাডেমির নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা করা হচ্ছে।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন