ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে বাংলাদেশি বলে ফেরত পাঠানোর ক্ষমতা নেই: কলকাতা হাইকোর্ট

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:০৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৮ Time View

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেছেন, সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে ডিপোর্ট করার ক্ষমতা রাজ্য সরকারের নেই। তিনি এই মন্তব্য করেন পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের এক বাসিন্দাকে আটকে রেখে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রস্তাব চ্যালেঞ্জ করে করা রিট পিটিশনের শুনানির সময়।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়, আবেদনকারীর আইনজীবী দাবি করেছেন, গত ৮ আগস্ট থেকে প্রতিবেশীদের দেওয়া জবানবন্দির ভিত্তিতে তার মক্কেলকে আটক রাখা হয়েছে। ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের (এফআরআরও) নির্দেশে ঐ দম্পতিকে দেশান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিচারপতি জানান, আটক ব্যক্তির নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য কর্তৃপক্ষকে যথাযথ সুযোগ দেওয়া উচিত। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন দুই মাস ধরে ঐ ব্যক্তিকে আটক রাখা হয়েছে এবং নাগরিকত্ব নির্ধারণে পরিষ্কার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

আইনজীবী রবিউল ইসলাম বলেন, আটক ব্যক্তি দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে হেফাজতে রয়েছেন এবং তার আটক হওয়ার ভিত্তি ছিল প্রতিবেশীদের বক্তব্য। বিচারপতি বলেন, কেবল এ ধরনের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে একজনের নাগরিকত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।

বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য আরও বলেন, সরকারের উচিত সঠিকভাবে নথিপত্র যাচাই করা। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার যুক্তি দেন যে, আটক ব্যক্তি হয়তো জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে নথিপত্র সংগ্রহ করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ

সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে বাংলাদেশি বলে ফেরত পাঠানোর ক্ষমতা নেই: কলকাতা হাইকোর্ট

আপলোড সময় : ০১:০৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেছেন, সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে ডিপোর্ট করার ক্ষমতা রাজ্য সরকারের নেই। তিনি এই মন্তব্য করেন পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের এক বাসিন্দাকে আটকে রেখে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রস্তাব চ্যালেঞ্জ করে করা রিট পিটিশনের শুনানির সময়।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়, আবেদনকারীর আইনজীবী দাবি করেছেন, গত ৮ আগস্ট থেকে প্রতিবেশীদের দেওয়া জবানবন্দির ভিত্তিতে তার মক্কেলকে আটক রাখা হয়েছে। ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের (এফআরআরও) নির্দেশে ঐ দম্পতিকে দেশান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিচারপতি জানান, আটক ব্যক্তির নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য কর্তৃপক্ষকে যথাযথ সুযোগ দেওয়া উচিত। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন দুই মাস ধরে ঐ ব্যক্তিকে আটক রাখা হয়েছে এবং নাগরিকত্ব নির্ধারণে পরিষ্কার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

আইনজীবী রবিউল ইসলাম বলেন, আটক ব্যক্তি দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে হেফাজতে রয়েছেন এবং তার আটক হওয়ার ভিত্তি ছিল প্রতিবেশীদের বক্তব্য। বিচারপতি বলেন, কেবল এ ধরনের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে একজনের নাগরিকত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।

বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য আরও বলেন, সরকারের উচিত সঠিকভাবে নথিপত্র যাচাই করা। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার যুক্তি দেন যে, আটক ব্যক্তি হয়তো জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে নথিপত্র সংগ্রহ করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন