ঢাকা ০৯:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পিরোজপুরে স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্ত চলছে

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:৫০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২২৬ Time View

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় মাহিরা আক্তার (১৭) নামের এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার মধ্য চিংগুরিয়া গ্রামে তার বাড়ির ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মরদেহটি পাওয়া যায়।

মাহিরা ভাণ্ডারিয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা মো. আলমগীর হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের লাইব্রেরিয়ান হিসেবে চাকরি থেকে অবসরে যান। মাহিরার মা তিন বছর বয়সে মারা যান এবং পরে তার বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে মাহিরা সৎ মায়ের সংসারে বাস করছিল।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, মাহিরা সৎ মায়ের সংসারে মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। তারা মনে করছেন, এসব কারণে তার মৃত্যু ঘটেছে। সৎ মা সুমাইয়া আক্তার জানিয়েছেন, মাহিরা রাতের খাবার খেয়ে নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েছিল এবং সকালে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেছেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। তিনি জানান, এটি হত্যা না আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্ত ছাড়া নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাবির পাঁচ শিক্ষককে চাঁদা দাবির অভিযোগ, তদন্ত শুরু

পিরোজপুরে স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্ত চলছে

আপলোড সময় : ০৪:৫০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় মাহিরা আক্তার (১৭) নামের এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার মধ্য চিংগুরিয়া গ্রামে তার বাড়ির ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মরদেহটি পাওয়া যায়।

মাহিরা ভাণ্ডারিয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা মো. আলমগীর হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের লাইব্রেরিয়ান হিসেবে চাকরি থেকে অবসরে যান। মাহিরার মা তিন বছর বয়সে মারা যান এবং পরে তার বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে মাহিরা সৎ মায়ের সংসারে বাস করছিল।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, মাহিরা সৎ মায়ের সংসারে মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। তারা মনে করছেন, এসব কারণে তার মৃত্যু ঘটেছে। সৎ মা সুমাইয়া আক্তার জানিয়েছেন, মাহিরা রাতের খাবার খেয়ে নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েছিল এবং সকালে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেছেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। তিনি জানান, এটি হত্যা না আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্ত ছাড়া নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন