ঢাকা ০৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলের মাদরাসায় ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগ, শিক্ষক আটক

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:৩১:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০৩ Time View

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি মাদরাসার নাজেরা বিভাগের এক ছাত্রকে নিয়মিত ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিনের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে পিটুনি দেন।

মির্জাপুর থানার পুলিশ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামান ও অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিনকে আটক করেছে। জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের শ্বশ্বধরপট্রি গ্রামের আব্দুল মালেক মিয়া ছলে।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ১০ বছরের এক ছাত্র মাদরাসায় ভর্তি হয় এবং আবাসিক থাকে। গত তিন মাস ধরে ওই ছাত্রকে ফুসলিয়ে ও ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে সে তার মাকে অসুস্থতার কথা জানায়।

শুক্রবার সকালে ওই ছাত্রের মা, নানা ও মামা মাদরাসায় এসে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচার দাবি করেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা মাদরাসায় গিয়ে শিক্ষক আল আমিনকে পিটুনি দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্ত শিক্ষক ও প্রিন্সিপালকে আটক করে।

ভুক্তভোগী শিশুর মা জানান, চিকিৎসকরা তার ছেলের শারীরিক অবস্থার অবনতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিনের কঠোর শাস্তির দাবি করেন। মাদরাসার প্রিন্সিপাল জানান, অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রতিষ্ঠানে রাখা হবে না।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনীতিতে ভালো ও সৎ মানুষের প্রয়োজন: তথ্যমন্ত্রী

টাঙ্গাইলের মাদরাসায় ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগ, শিক্ষক আটক

আপলোড সময় : ০২:৩১:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি মাদরাসার নাজেরা বিভাগের এক ছাত্রকে নিয়মিত ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিনের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে পিটুনি দেন।

মির্জাপুর থানার পুলিশ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামান ও অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিনকে আটক করেছে। জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের শ্বশ্বধরপট্রি গ্রামের আব্দুল মালেক মিয়া ছলে।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ১০ বছরের এক ছাত্র মাদরাসায় ভর্তি হয় এবং আবাসিক থাকে। গত তিন মাস ধরে ওই ছাত্রকে ফুসলিয়ে ও ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে সে তার মাকে অসুস্থতার কথা জানায়।

শুক্রবার সকালে ওই ছাত্রের মা, নানা ও মামা মাদরাসায় এসে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচার দাবি করেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা মাদরাসায় গিয়ে শিক্ষক আল আমিনকে পিটুনি দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্ত শিক্ষক ও প্রিন্সিপালকে আটক করে।

ভুক্তভোগী শিশুর মা জানান, চিকিৎসকরা তার ছেলের শারীরিক অবস্থার অবনতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিনের কঠোর শাস্তির দাবি করেন। মাদরাসার প্রিন্সিপাল জানান, অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রতিষ্ঠানে রাখা হবে না।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন