২০২৪ সালের ১৯ জুলাই, ঢাকার মোহাম্মদপুরের নূরজাহান রোডে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন মাহামুদুর রহমান সৈকত (টুনা)। পরিবারের দাবি, গুলিটি তার মাথায় লেগে মগজসহ বেরিয়ে যায়। ভাই শহীদ হওয়ার পর তাকে স্মরণ করে আবেগঘন একটি পোস্ট দেন তার বোন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সেই পোস্টটি আবারও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘ছবির ছেলেটা আমার ভাই, আমাদের দুই বোনের একমাত্র আদরের ভাই। আমরা ওকে কী পরিমাণ ভালোবাসি এটা হয়তো কখনো আর তাকে বলা-ই হবেনা।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, সৈকতকে তারা ‘টুনা’ ডাকতেন এবং তার মৃত্যুর পর তাদের মধ্যে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে তা প্রকাশ করেছেন।
বোনের পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, সৈকত ১১ই সেপ্টেম্বর ২০ বছর পূর্ণ করতে যাচ্ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের কলিজাকে গুলি করে মারা হয়েছে। আমার ফুলের মত ভাইটাকে ঠাণ্ডা মাথায় টার্গেট করে মাথায় গুলি করা হয়েছে।’ তিনি বিচার দাবি করে বলেন, ‘বিচার কাকে দেব? আল্লাহর কাছে দিলাম।’
তিনি আরও জানান, সৈকত ছিল একজন নিষ্পাপ ছেলে, যে বিপদে পড়া বন্ধুকে সাহায্য করতে গিয়েছিল। পোস্টে তিনি তার ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘কখনো আর ভাইকে দেখতে পারবো না, জড়িয়ে ধরতে পারবো না।’
পোস্টের শেষে তিনি উল্লেখ করেন, ‘মুসলমানদের জন্য শুক্রবারে মৃত্যু হচ্ছে স্বপ্ন, আর তার ওপর মুহাররম মাস!!’ তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, তার ভাই জান্নাতে সবুজ পাখি হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
অনলাইন ডেক্স 
























