ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিনাজপুরে শিক্ষকরা প্রতারণার শিকার, দুই লাখ টাকা হাতিয়ে নিল চক্র

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:৫৩:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • ২০৬ Time View

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে তিনজন শিক্ষক মোবাইল ফোনে প্রতারণার শিকার হয়েছেন। 'আপনার ছেলে ডিবির হাতে'—এমন কল পেয়ে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং দ্রুত টাকা পাঠান। বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) সন্ধ্যায় ১৫ থেকে ২০ জন ভুক্তভোগী শিক্ষক থানায় অভিযোগ করেন।

অভিযোগে জানা যায়, প্রতারকরা নিজেদের ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে শিক্ষকদের সন্তানদের মাদকসহ আটক করার কথা বলেন। তারা বলেন, মামলা থেকে রক্ষা করতে হলে দ্রুত বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে হবে। এভাবে প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমান ৮৬ হাজার ৮০০ টাকা, প্রীতি রাণী সরকার ৬৭ হাজার টাকা এবং মাহাফুজা বেগম ৪১ হাজার টাকা পাঠান।

ভুক্তভোগীরা পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন। অভিযোগের পর, ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান জানান, উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের টার্গেট করে পরিকল্পিতভাবে এই প্রতারণা চালানো হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এবং এ ধরনের ফোন পেলে আতঙ্কিত না হয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাহিদ ইসলামের দাবি, শেখ হাসিনার জন্য ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে

দিনাজপুরে শিক্ষকরা প্রতারণার শিকার, দুই লাখ টাকা হাতিয়ে নিল চক্র

আপলোড সময় : ০৪:৫৩:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে তিনজন শিক্ষক মোবাইল ফোনে প্রতারণার শিকার হয়েছেন। 'আপনার ছেলে ডিবির হাতে'—এমন কল পেয়ে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং দ্রুত টাকা পাঠান। বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) সন্ধ্যায় ১৫ থেকে ২০ জন ভুক্তভোগী শিক্ষক থানায় অভিযোগ করেন।

অভিযোগে জানা যায়, প্রতারকরা নিজেদের ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে শিক্ষকদের সন্তানদের মাদকসহ আটক করার কথা বলেন। তারা বলেন, মামলা থেকে রক্ষা করতে হলে দ্রুত বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে হবে। এভাবে প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমান ৮৬ হাজার ৮০০ টাকা, প্রীতি রাণী সরকার ৬৭ হাজার টাকা এবং মাহাফুজা বেগম ৪১ হাজার টাকা পাঠান।

ভুক্তভোগীরা পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন। অভিযোগের পর, ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান জানান, উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের টার্গেট করে পরিকল্পিতভাবে এই প্রতারণা চালানো হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এবং এ ধরনের ফোন পেলে আতঙ্কিত না হয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন