ঢাকা ০৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বারুইপুরে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার প্রধান অভিযুক্ত বন্দুকযুদ্ধে নিহত

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৫:০৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • ২০৮ Time View

বারুইপুরে ১২ বছরের এক শিশুকে অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) গভীর রাতে বারুইপুর থানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের অংশ হিসেবে প্রভাসকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার সময় সে হঠাৎ পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালায়। আত্মরক্ষায় পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে প্রভাস গুরুতর আহত হয় এবং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার বিবরণ অনুসারে, গত শনিবার বারুইপুর এলাকায় শিশুটিকে অপহরণ করা হয়। পরে তাকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয় এবং লাশ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। পুলিশ লাশ উদ্ধারের পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে প্রভাস মণ্ডলকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্য অনুসারে আনন্দ সরদার ও দিবাকর সরদার নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তারা পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।

পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, অর্থের লোভ দেখিয়ে আনন্দ সরদার প্রভাসকে দিয়ে শিশুটিকে অপহরণ করিয়েছিলেন বলে প্রভাস দাবি করেছিল। তবে আনন্দ সরদার নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। পুলিশের মতে, এই নৃশংস ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ছিল প্রভাস মণ্ডল।

এ ঘটনাকে অনেকে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হিসেবে দেখছেন। নির্বাচনী প্রচারে শুভেন্দু বলেছিলেন, ধর্ষণ-খুনের মতো ঘটনা তিনি বরদাস্ত করবেন না। ঘটনার পর রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এখন শিশু নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আরও সচেতন হয়ে উঠেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হলেন আইরিন খান, পেলেন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা

বারুইপুরে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার প্রধান অভিযুক্ত বন্দুকযুদ্ধে নিহত

আপলোড সময় : ০৫:০৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

বারুইপুরে ১২ বছরের এক শিশুকে অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) গভীর রাতে বারুইপুর থানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের অংশ হিসেবে প্রভাসকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার সময় সে হঠাৎ পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালায়। আত্মরক্ষায় পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে প্রভাস গুরুতর আহত হয় এবং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার বিবরণ অনুসারে, গত শনিবার বারুইপুর এলাকায় শিশুটিকে অপহরণ করা হয়। পরে তাকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয় এবং লাশ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। পুলিশ লাশ উদ্ধারের পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে প্রভাস মণ্ডলকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্য অনুসারে আনন্দ সরদার ও দিবাকর সরদার নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তারা পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।

পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, অর্থের লোভ দেখিয়ে আনন্দ সরদার প্রভাসকে দিয়ে শিশুটিকে অপহরণ করিয়েছিলেন বলে প্রভাস দাবি করেছিল। তবে আনন্দ সরদার নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। পুলিশের মতে, এই নৃশংস ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ছিল প্রভাস মণ্ডল।

এ ঘটনাকে অনেকে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হিসেবে দেখছেন। নির্বাচনী প্রচারে শুভেন্দু বলেছিলেন, ধর্ষণ-খুনের মতো ঘটনা তিনি বরদাস্ত করবেন না। ঘটনার পর রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এখন শিশু নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আরও সচেতন হয়ে উঠেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন