ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে বিএনপি নেতার স্ট্যাটাসে আলোচনা সৃষ্টি

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ২০৫ Time View

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আবু সাঈদ সুজনের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। তিনি তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছেন, ‘আমার মৃত্যু হলে দলীয় কোনো ব্যক্তি আমার জানাজায় আসবেন না।’

বুধবার (০৮ জুলাই) দেওয়া এই স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই তার খোঁজখবর নেন এবং স্ট্যাটাসের নেপথ্যের কারণ জানতে চান।

স্ট্যাটাসের বিষয়ে আবু সাঈদ সুজন জানান, বিগত সরকারের সময় তিনি ১১টি মামলার আসামি হন এবং ৩ বার কারাবরণ করেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি বিভিন্ন সময় হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন।

তিনি আরও জানান, সম্প্রতি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে জামালপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ওই সময়ে দলের কোনো নেতা তার খোঁজ নেননি। দীর্ঘদিন দলের জন্য ত্যাগ স্বীকারের পর এমন পরিস্থিতিতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।

মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রতন বলেন, ‘সে সম্ভবত স্ট্রোক করেছিল। তারপর থেকে কিছুটা মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন। সুজনকে মোবাইলে কয়েকবার কল দিয়েছিলাম, ধরেননি।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাহাড় ধসের ঝুঁকি মোকাবেলায় সরকার বাসিন্দাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে

জামালপুরে বিএনপি নেতার স্ট্যাটাসে আলোচনা সৃষ্টি

আপলোড সময় : ০২:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আবু সাঈদ সুজনের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। তিনি তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছেন, ‘আমার মৃত্যু হলে দলীয় কোনো ব্যক্তি আমার জানাজায় আসবেন না।’

বুধবার (০৮ জুলাই) দেওয়া এই স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই তার খোঁজখবর নেন এবং স্ট্যাটাসের নেপথ্যের কারণ জানতে চান।

স্ট্যাটাসের বিষয়ে আবু সাঈদ সুজন জানান, বিগত সরকারের সময় তিনি ১১টি মামলার আসামি হন এবং ৩ বার কারাবরণ করেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি বিভিন্ন সময় হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন।

তিনি আরও জানান, সম্প্রতি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে জামালপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ওই সময়ে দলের কোনো নেতা তার খোঁজ নেননি। দীর্ঘদিন দলের জন্য ত্যাগ স্বীকারের পর এমন পরিস্থিতিতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।

মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রতন বলেন, ‘সে সম্ভবত স্ট্রোক করেছিল। তারপর থেকে কিছুটা মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন। সুজনকে মোবাইলে কয়েকবার কল দিয়েছিলাম, ধরেননি।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন