ঢাকা ০৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাহাড় ধসের ঝুঁকি মোকাবেলায় সরকার বাসিন্দাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৫:৫৬:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ২০০ Time View

পাহাড় ধসে প্রাণহানি রোধে সরকার ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারী মানুষদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) জাতীয় সংসদে এ ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী জানান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানসহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড় ধসের কারণে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। চট্টগ্রামে ৫ জন, কক্সবাজারে ১৯ জন, রাঙ্গামাটিতে ১ জন এবং বান্দরবানে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে ৪১টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙ্গামাটিতে ২১টি, খাগড়াছড়িতে ১৩৫টি এবং বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে হাজার হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছেন এবং তাদের জন্য খাবার ও পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, গত ৭ জুলাই দুর্গত এলাকার সাহায্যের জন্য প্রথম দফায় প্রতিটি জেলায় ১০ লাখ টাকা এবং ২০০ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। পরিস্থিতির উন্নতির জন্য নতুন করে চট্টগ্রামে ২৫ লাখ টাকা, কক্সবাজারে ২০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য জেলায় ১০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী সংসদ সদস্যদের স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা তৈরি করে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সরকার ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে পুনর্বাসনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং ভবিষ্যতে পাহাড় ধসে প্রাণহানি রোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

৫ আগস্টের পর ছুটিতে গিয়ে ফিরে না আসায় তিন পুলিশ কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত

পাহাড় ধসের ঝুঁকি মোকাবেলায় সরকার বাসিন্দাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে

আপলোড সময় : ০৫:৫৬:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

পাহাড় ধসে প্রাণহানি রোধে সরকার ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারী মানুষদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) জাতীয় সংসদে এ ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী জানান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানসহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড় ধসের কারণে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। চট্টগ্রামে ৫ জন, কক্সবাজারে ১৯ জন, রাঙ্গামাটিতে ১ জন এবং বান্দরবানে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে ৪১টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙ্গামাটিতে ২১টি, খাগড়াছড়িতে ১৩৫টি এবং বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে হাজার হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছেন এবং তাদের জন্য খাবার ও পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, গত ৭ জুলাই দুর্গত এলাকার সাহায্যের জন্য প্রথম দফায় প্রতিটি জেলায় ১০ লাখ টাকা এবং ২০০ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। পরিস্থিতির উন্নতির জন্য নতুন করে চট্টগ্রামে ২৫ লাখ টাকা, কক্সবাজারে ২০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য জেলায় ১০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী সংসদ সদস্যদের স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা তৈরি করে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সরকার ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে পুনর্বাসনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং ভবিষ্যতে পাহাড় ধসে প্রাণহানি রোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন