ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নূরানী শিক্ষক নিয়োগের দাবি জামায়াত এমপির

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১০:০২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • ২০৩ Time View

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মুসলিম শিক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নূরানী অথবা তালিমুল কোরআন ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন করে শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাছুম মোস্তফা।

বুধবার সংসদে এই দাবি জানিয়ে মাছুম মোস্তফা বলেন, বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। অধিকাংশ মুসলিম পরিবার তাদের সন্তানদের শুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত শেখাতে আগ্রহী, তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের শিক্ষার পর্যাপ্ত সুযোগ নেই।

তিনি উল্লেখ করেন, অনেক ক্ষেত্রে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হলেও শুদ্ধ উচ্চারণ এবং তাজবিদের নিয়মাবলী অনুসরণ করে কোরআন শেখানোর জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষক পাওয়া যায় না। এর ফলে অনেক শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শেষ করেও শুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত করতে পারে না।

মাছুম মোস্তফা আরও বলেন, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য আলাদা মক্তব বা ব্যক্তিগত শিক্ষকের ব্যবস্থা করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। তিনি জানান, নূরানী ও তালিমুল কোরআন পদ্ধতি বর্তমানে শিশুদের শুদ্ধ কোরআন শিক্ষা প্রদানের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃত।

সংসদ সদস্যের মতে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করা হলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি শুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা লাভের সুযোগ পাবে, যা তাদের ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে নতুন স্বাস্থ্য পরিচালককে অবরুদ্ধ করেছে চিকিৎসকরা

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নূরানী শিক্ষক নিয়োগের দাবি জামায়াত এমপির

আপলোড সময় : ১০:০২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মুসলিম শিক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নূরানী অথবা তালিমুল কোরআন ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন করে শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাছুম মোস্তফা।

বুধবার সংসদে এই দাবি জানিয়ে মাছুম মোস্তফা বলেন, বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। অধিকাংশ মুসলিম পরিবার তাদের সন্তানদের শুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত শেখাতে আগ্রহী, তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের শিক্ষার পর্যাপ্ত সুযোগ নেই।

তিনি উল্লেখ করেন, অনেক ক্ষেত্রে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হলেও শুদ্ধ উচ্চারণ এবং তাজবিদের নিয়মাবলী অনুসরণ করে কোরআন শেখানোর জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষক পাওয়া যায় না। এর ফলে অনেক শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শেষ করেও শুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত করতে পারে না।

মাছুম মোস্তফা আরও বলেন, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য আলাদা মক্তব বা ব্যক্তিগত শিক্ষকের ব্যবস্থা করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। তিনি জানান, নূরানী ও তালিমুল কোরআন পদ্ধতি বর্তমানে শিশুদের শুদ্ধ কোরআন শিক্ষা প্রদানের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃত।

সংসদ সদস্যের মতে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করা হলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি শুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা লাভের সুযোগ পাবে, যা তাদের ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন