নেত্রকোনায় একটি ধর্ষণ মামলায় ১৩ বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. এমদাদুল হক মামলার একমাত্র আসামি মো. হেলালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন।
মামলার নথি ও রাষ্ট্রপক্ষের সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১০ জুলাই বারহাট্টা উপজেলার বাসিন্দা খোদবানুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন হেলাল। ঘটনার পর খোদবানু অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন এবং পরে স্থানীয়ভাবে বিয়ের উদ্যোগ নেওয়া হলেও হেলাল বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। এরপর খোদবানুর পরিবার থানায় মামলা দায়ের করে।
মামলা চলাকালীন খোদবানু একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন, কিন্তু পরে তিনি মারা যান। তদন্তের সময় ডিএনএ পরীক্ষায় শিশুটির সঙ্গে হেলালের জৈবিক সম্পর্কের মিল পাওয়া যায়। এই প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং অন্যান্য আলামত পর্যালোচনার পর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন। রায়ে উল্লেখ করা হয়, খোদবানুকে ধর্ষণ করার পাশাপাশি তার কন্যাসন্তানের জৈবিক পিতা হেলাল। ফলে ১৩ বছর পর শিশুটি তার পিতৃপরিচয়ের আইনি স্বীকৃতি পায়।
অনলাইন ডেক্স 






















