রাজধানীর উত্তরা-১০ নম্বর সেক্টরে স্থানীয় মুসল্লিদের নিয়ে বস্তি উচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম। গতকাল শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় তিনি এই ঘোষণা দেন। তার বক্তব্যের একটি ভিডিও আজ শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়রা জানান, বস্তিতে মাদককারবারের অভিযোগ সত্য। তবে তুরাগ থানা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করলেও যুবদলের এক নেতার কারণে মাদক বিক্রি বন্ধ করা যাচ্ছে না। স্থানীয়দের আশঙ্কা, সাধারণ মানুষকে যুক্ত করে মব সৃষ্টি হতে পারে।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, জহিরুল ইসলাম বিতর্কিত কাজের জন্য সমালোচিত হচ্ছেন। তার কারণে তুরাগ থানা বিএনপিতে অস্বস্তি বিরাজ করছে। তারা অভিযোগ করেন, জহিরুল ইসলাম ব্যক্তিস্বার্থে কাজ করছেন এবং স্থানীয়দের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন।
১০ নম্বর সেক্টরের বাসিন্দারা জানান, তারা মাদক কারবার বন্ধ করতে চান, তবে আইন অমান্য করে নয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্প্রতি জহিরুল ইসলাম বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়েছেন।
এ বিষয়ে কথা বলতে জহিরুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিক কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি। সাবেক সদস্যসচিব মোস্তফা জামান জানান, মাদক নির্মূলে সরকার প্রতিজ্ঞ, তবে স্থানীয়দের ঝুঁকির মুখে ফেলে সেটা করা যাবে না।
তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পুলিশ মাদক কারবার বন্ধে কাজ করছে। তিনি জানান, বিএনপি নেতার বক্তব্য আপত্তিকর হতে পারে এবং এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে।
অনলাইন ডেক্স 
























