ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভদ্রা নদীর ওপর নতুন সেতু নির্মাণ, দক্ষিণ জনপদের যোগাযোগে পরিবর্তন

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০১ Time View

ভদ্রা নদীর ওপর নির্মিত গার্ডার সেতু দক্ষিণ জনপদের সুতারখালী ও কামারখোলার ১৮টি গ্রামকে সংযুক্ত করেছে। সেতুটি খুলনার দাকোপ উপজেলার শিংজোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালিনগর বাজারসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত এবং এর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৫০ কোটি ৭৫ লাখ ৯ হাজার ২৩৭ টাকা।

সেতুর উদ্বোধন না হলেও যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে, যা স্থানীয় জনগণের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি করেছে। সেতুর মাধ্যমে ভদ্রা নদীর দুপাড়ের সাত ইউনিয়নের মানুষের মধ্যে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। কৃষি, শিল্প ও পর্যটন খাতে উন্নয়ন সাধিত হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জানিয়েছে, অল্প সময়ের মধ্যে সেতুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হতে পারে। সেতু চালু হওয়ায় দাকোপ উপজেলা সদর ও মোংলা বন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হয়েছে, যা প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের জন্য সুবিধা বয়ে আনবে।

দাকোপ উপজেলা ৩১, ৩২ ও ৩৩ নম্বর পোল্ডার নিয়ে গঠিত। ভদ্রা নদী ছিল যোগাযোগের প্রধান বাধা। স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে সেতু নির্মাণের দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন। সেতুর নির্মাণ এলজিইডির 'গুরুত্বপূর্ণ ৯টি সেতু নির্মাণ ও প্রোগ্রাম ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রিজ' প্রকল্পের আওতায় হয়েছে।

সেতুর নির্মাণ কাজ ২০১৬ সালে শুরু হলেও বিভিন্ন কারণে সময়সীমা বাড়ে। অবশেষে তৃতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ সম্পন্ন করে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও চিকিৎসকরা সেতুর সুবিধা নিয়ে আশাবাদী, যা কৃষি ও চিকিৎসা সেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

করপোরেট দুনিয়ায় জনপ্রিয়তার প্রভাব নিয়ে আলোচনা

ভদ্রা নদীর ওপর নতুন সেতু নির্মাণ, দক্ষিণ জনপদের যোগাযোগে পরিবর্তন

আপলোড সময় : ১২:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

ভদ্রা নদীর ওপর নির্মিত গার্ডার সেতু দক্ষিণ জনপদের সুতারখালী ও কামারখোলার ১৮টি গ্রামকে সংযুক্ত করেছে। সেতুটি খুলনার দাকোপ উপজেলার শিংজোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালিনগর বাজারসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত এবং এর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৫০ কোটি ৭৫ লাখ ৯ হাজার ২৩৭ টাকা।

সেতুর উদ্বোধন না হলেও যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে, যা স্থানীয় জনগণের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি করেছে। সেতুর মাধ্যমে ভদ্রা নদীর দুপাড়ের সাত ইউনিয়নের মানুষের মধ্যে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। কৃষি, শিল্প ও পর্যটন খাতে উন্নয়ন সাধিত হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জানিয়েছে, অল্প সময়ের মধ্যে সেতুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হতে পারে। সেতু চালু হওয়ায় দাকোপ উপজেলা সদর ও মোংলা বন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হয়েছে, যা প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের জন্য সুবিধা বয়ে আনবে।

দাকোপ উপজেলা ৩১, ৩২ ও ৩৩ নম্বর পোল্ডার নিয়ে গঠিত। ভদ্রা নদী ছিল যোগাযোগের প্রধান বাধা। স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে সেতু নির্মাণের দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন। সেতুর নির্মাণ এলজিইডির 'গুরুত্বপূর্ণ ৯টি সেতু নির্মাণ ও প্রোগ্রাম ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রিজ' প্রকল্পের আওতায় হয়েছে।

সেতুর নির্মাণ কাজ ২০১৬ সালে শুরু হলেও বিভিন্ন কারণে সময়সীমা বাড়ে। অবশেষে তৃতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ সম্পন্ন করে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও চিকিৎসকরা সেতুর সুবিধা নিয়ে আশাবাদী, যা কৃষি ও চিকিৎসা সেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন