ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীকে এক মাসের ক্ষমতা চাইলেন মাহবুব কবীর মিলন

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:১৬:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০১ Time View

অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে দেশের রেলওয়ে খাতে টিকিট কালোবাজারি বন্ধ এবং ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ প্রতিরোধের জন্য এক মাসের পূর্ণ প্রশাসনিক ক্ষমতা চেয়েছেন। তিনি বলেছেন, কোনো পদ-পদবি বা পারিশ্রমিক ছাড়াই এই চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা-কক্সবাজার ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে টিকিট কালোবাজারি বন্ধ করার জন্য এক মাসের সময় চান।

মাহবুব কবীর মিলন বলেন, এই এক মাসে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের সবাইকে তাঁর নির্দেশ মেনে চলতে হবে। তিনি কিছু সৎ ও অবসরপ্রাপ্ত টিকিট এক্সামিনার নিয়োগের জন্য বাজেট চেয়েছেন এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

তিনি টিকিট যাচাইয়ের জন্য দৈবচয়ন ভিত্তিতে পরিচয়পত্র যাচাই করার প্রস্তাব দেন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক যাত্রীদের ক্ষেত্রে বাবা বা মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র সংযুক্ত রাখার কথা বলেন। এছাড়া, টিকিট পরীক্ষক ও ট্রেনের গার্ডদের জন্য ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ ব্যবহারের প্রস্তাবও করেন।

মাহবুব কবীর মিলন রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনার ওপর জোর দেন এবং অভিযোগ করেন যে, পরিকল্পিতভাবে আইন লঙ্ঘন করে এই বাহিনীকে ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি ব্যর্থ হলে যে কোনো শাস্তি মেনে নেওয়ার চ্যালেঞ্জও জানান।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শত্রুর বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ প্রস্তুত: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

প্রধানমন্ত্রীকে এক মাসের ক্ষমতা চাইলেন মাহবুব কবীর মিলন

আপলোড সময় : ০১:১৬:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে দেশের রেলওয়ে খাতে টিকিট কালোবাজারি বন্ধ এবং ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ প্রতিরোধের জন্য এক মাসের পূর্ণ প্রশাসনিক ক্ষমতা চেয়েছেন। তিনি বলেছেন, কোনো পদ-পদবি বা পারিশ্রমিক ছাড়াই এই চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা-কক্সবাজার ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে টিকিট কালোবাজারি বন্ধ করার জন্য এক মাসের সময় চান।

মাহবুব কবীর মিলন বলেন, এই এক মাসে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের সবাইকে তাঁর নির্দেশ মেনে চলতে হবে। তিনি কিছু সৎ ও অবসরপ্রাপ্ত টিকিট এক্সামিনার নিয়োগের জন্য বাজেট চেয়েছেন এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

তিনি টিকিট যাচাইয়ের জন্য দৈবচয়ন ভিত্তিতে পরিচয়পত্র যাচাই করার প্রস্তাব দেন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক যাত্রীদের ক্ষেত্রে বাবা বা মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র সংযুক্ত রাখার কথা বলেন। এছাড়া, টিকিট পরীক্ষক ও ট্রেনের গার্ডদের জন্য ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ ব্যবহারের প্রস্তাবও করেন।

মাহবুব কবীর মিলন রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনার ওপর জোর দেন এবং অভিযোগ করেন যে, পরিকল্পিতভাবে আইন লঙ্ঘন করে এই বাহিনীকে ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি ব্যর্থ হলে যে কোনো শাস্তি মেনে নেওয়ার চ্যালেঞ্জও জানান।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন