মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ চলাকালীন ইরানকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল ও জব্দ করা অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রস্তাবের খবর অস্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের বরাত দিয়ে প্রচারিত প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ ভুয়া দাবি করে সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি জানান, ‘আমি তাদের কিছুই অফার করিনি।’
এক্সিওসের ওই প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে দাবি করা হয়েছিল, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের বিনিময়ে ট্রাম্প এই ছাড় দিতে ইচ্ছুক। ৮০ বছর বয়সী এই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রতিবেদনটিকে মিথ্যা সংবাদ হিসেবে অভিহিত করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
এমন সময়ে এই অস্বীকৃতি এল যখন নিউ ইয়র্কে কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এর আগে উভয় দেশের কর্মকর্তারা বৈঠক করলেও ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি আর কোনো আলোচনার পরিকল্পনা নেই তাদের।
সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কৌশলগত হরমুজ প্রণালি, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের কারণে তেহরান পথটি অবরুদ্ধ করে রেখেছে। গত শনিবার প্রণালিটি পুনরায় খোলার একটি ইরানি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেন, তবে রোববারে তিনি ইঙ্গিত দেন আগামী দিনগুলোতে আলোচনা আবার শুরু হতে পারে।
যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে, যার ফলে জাতীয় জনমত জরিপগুলোতে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমছে এবং আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে দলটির সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
অনলাইন ডেক্স 























