প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লাল টেলিফোনের তার চুরির ঘটনা নিয়ে প্রায় তিন মাস তদন্তের পর প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। সচিবালয়ে এই ঘটনা দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ বলে মনে করা হচ্ছে।
তদন্তের অংশ হিসেবে জড়িতদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং অন্যান্য তথ্য ও আলামত বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তবে তদন্তে ভিন্ন উদ্দেশ্য বা সন্দেহজনক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। জিজ্ঞাসাবাদ ও সার্বিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এটি শুধুমাত্র একটি চুরির ঘটনা হিসাবেই চিহ্নিত করা হয়েছে।
কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্র, ভাঙারি ব্যবসায়ী রিজাকুল ইসলাম ও মো. মাহাবুব হাসান। তারা ইতোমধ্যে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
জানা যায়, গত কুরবানি ঈদের সরকারি ছুটি শেষে ১ জুন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীরা প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের সংযোগ নেই বলে জানান। পরে বিটিসিএল-এর কর্মকর্তারা সংযোগ পুনরুদ্ধার করেন এবং শাহবাগ থানায় জিডি করা হয়।
তদন্তে বেরিয়ে আসে, রঞ্জন চন্দ্র ২২ মে সকালে সচিবালয়ের ছাদে টেলিফোনের তামার তার কেটে নেয় এবং পরে তা ভাঙারির দোকানে বিক্রি করে। তার কাছ থেকে ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাহাবুব হাসানকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।
অনলাইন ডেক্স 























