পাকিস্তান সরকার উপসাগরীয় অঞ্চলের সংঘাতের কারণে জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে নতুন কৃচ্ছ্রসাধনমূলক পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকারি যানবাহনে জ্বালানি ব্যবহার কমানো, নতুন গাড়ি কেনায় নিষেধাজ্ঞা এবং কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর সীমিত করার পাশাপাশি সরকারি নৈশভোজ বন্ধ করা হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘাতের ফলে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় পাকিস্তানে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
নতুন পদক্ষেপের আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি সরঞ্জাম কেনা ছাড়া সরকারের সব ধরনের টেকসই পণ্য কেনায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, সরকারি বৈঠকে সরাসরি উপস্থিতির পরিবর্তে টেলিকনফারেন্স ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এটি চলতি বছরে পাকিস্তানের দ্বিতীয়বারের মতো নেওয়া পদক্ষেপ। এর আগে মার্চে একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, যেখানে স্কুল বন্ধ রাখা, সরকারি পর্যায়ে জ্বালানি ব্যবহার কমানো এবং কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
এদিকে, বুধবার থেকে নতুন একটি ভর্তুকি কর্মসূচি চালু করেছে পাকিস্তান, যার আওতায় মোটরসাইকেল, রিকশা ও ছোট গাড়ির মালিকরা প্রতি লিটারে ১০০ পাকিস্তানি রুপি ভর্তুকি পাবেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ছয় মাসেরও বেশি সময় আগে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও গ্যাস রপ্তানি ব্যাহত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে চাপ সৃষ্টি করেছে।
অনলাইন ডেক্স 























