পটুয়াখালীর বাউফল পৌরশহরে পরিচ্ছন্নতা রক্ষার জন্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সরবরাহ করা ডাস্টবিনগুলো এখন কার্যকরভাবে ব্যবহার হচ্ছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, ডাস্টবিনগুলোতে নিয়মিত ময়লা অপসারণ না করায় সেগুলো ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৭৬৫টি ডাস্টবিন সরবরাহের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এর মধ্যে ৬০০টি ডাস্টবিন বিতরণ করা হয়েছে। প্রতিটি ডাস্টবিনের মূল্য ৩ হাজার ৩০২ টাকা ২৯ পয়সা। পৌরসভার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডাস্টবিনগুলো স্থাপন করা হয়।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ডাস্টবিনগুলোতে ময়লা ফেলা হলেও পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়মিত সেখান থেকে ময়লা সংগ্রহ করেন না। ফলে ডাস্টবিন পূর্ণ হয়ে গেলে আশপাশে বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ে, যা পরিবেশ দূষণের কারণ হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিতরণ করা ডাস্টবিনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ব্যবহার হচ্ছে না। কিছু ডাস্টবিন অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, আবার কিছু ডাস্টবিন ময়লার স্তূপের মধ্যে পড়ে আছে। এতে করে রাস্তার পাশে এবং ফুটপাতের ওপর ময়লা ফেলার প্রবণতা বেড়েছে।
বাউফল পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈনুল হক বলেন, ‘ডাস্টবিনগুলো ভালো উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে। তবে সঠিকভাবে ব্যবহার না হলে তা দুঃখজনক।’ স্থানীয়দের দাবি, ডাস্টবিনের ব্যবহার নিশ্চিত করতে নিয়মিত ময়লা অপসারণ ও কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন।
অনলাইন ডেক্স 























