ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, সরকারি হাসপাতালে মাত্র ১০ টাকার টিকিট কেটে চিকিৎসা নিতে এসে রোগীদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় এবং হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। রোগীরা জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় অনেককে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে বাধ্য হতে হচ্ছে। এতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে।
স্থানীয় রোগী ও তাদের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পর অনেক রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়। হাসপাতালের সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা না থাকায় এসব পরীক্ষার একটি অংশ বাইরে করাতে হচ্ছে। কিছু রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে।
রোগীদের অভিযোগ, বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট নিয়ে হাসপাতালে ফেরার আগেই অনেক সময় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়। পরদিন আবার চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হলে নতুন করে দীর্ঘ সিরিয়ালে দাঁড়াতে হয়, যা দরিদ্র ও নিম্নআয়ের রোগীদের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
হাসপাতালে এক্স-রে, রক্ত ও অন্যান্য পরীক্ষা করাতে নানা ধরনের জটিলতার অভিযোগ করেছেন রোগীরা। তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা তাৎক্ষণিকভাবে করা সম্ভব হচ্ছে না এবং রিপোর্ট পেতেও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
এদিকে, কিছু রোগীর অভিযোগ, চিকিৎসা দেওয়ার সময় কিছু চিকিৎসক নির্দিষ্ট ওষুধ কোম্পানির ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন এবং নির্দিষ্ট বেসরকারি হাসপাতাল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করানোর জন্য রোগীদের পাঠান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালী জানিয়েছেন, “সামনের মিটিংয়ে সব চিকিৎসককে বলে দেওয়া হবে, প্রয়োজনের বাইরে যেন কোনো ধরনের পরীক্ষা না দেওয়া হয়।”
অনলাইন ডেক্স 

























