ঢাকা ১১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জ মেডিকেলে মরণোত্তর দেহদান করেছেন লিটন দাশ তালুকদার

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৯:৪১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০৫ Time View

হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজে শিক্ষা ও গবেষণা কাজে ব্যবহারের জন্য মরণোত্তর দেহদান করেছেন নবীগঞ্জের লিটন দাশ তালুকদার (৩৯)। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে লিটন দাশের মৃতদেহটি মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেছে।

লিটন দাশ তালুকদার রোববার বেলা ১১টায় নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানার হরিনাকান্দি গ্রামের দ্বিজেন্দ্র দাশ তালুকদারের ছেলে। মৃত্যুর পর পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, শিক্ষা ও গবেষণা কাজে ব্যবহারের জন্য তার মৃতদেহ হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জানা যায়, হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজে এটাই প্রথম কোনো মৃত মানবদেহ শিক্ষা ও গবেষণা কাজে গ্রহণ করা হলো। লিটন দাশের এই উদ্যোগ মানবতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লিটন দাশ নবীগঞ্জ শহরতলীর শিবপাশা গ্রামে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি সমস্যায় ভুগছিলেন।

লিটন দাশ মৃত্যুর আগে তার পরিবারকে জানান, তার মৃতদেহ দাহ না করে মানবকল্যাণের কাজে লাগানোর জন্য হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দান করতে চান। এ বিষয়ে তিনি ১৩ আগস্ট হবিগঞ্জের বিজ্ঞ নোটারি কার্যালয়ে মরণোত্তর দেহদানের ঘোষণাপত্র সম্পাদন করেন।

মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, বিভাগীয় প্রধান এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা মৃতদেহ হস্তান্তরের জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি সহ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে লিটন দাশের বড় ভাই দিপু দাশ ও আত্মীয়স্বজনরা মৃতদেহটি মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জ মেডিকেলে মরণোত্তর দেহদান করেছেন লিটন দাশ তালুকদার

হবিগঞ্জ মেডিকেলে মরণোত্তর দেহদান করেছেন লিটন দাশ তালুকদার

আপলোড সময় : ০৯:৪১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজে শিক্ষা ও গবেষণা কাজে ব্যবহারের জন্য মরণোত্তর দেহদান করেছেন নবীগঞ্জের লিটন দাশ তালুকদার (৩৯)। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে লিটন দাশের মৃতদেহটি মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেছে।

লিটন দাশ তালুকদার রোববার বেলা ১১টায় নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানার হরিনাকান্দি গ্রামের দ্বিজেন্দ্র দাশ তালুকদারের ছেলে। মৃত্যুর পর পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, শিক্ষা ও গবেষণা কাজে ব্যবহারের জন্য তার মৃতদেহ হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জানা যায়, হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজে এটাই প্রথম কোনো মৃত মানবদেহ শিক্ষা ও গবেষণা কাজে গ্রহণ করা হলো। লিটন দাশের এই উদ্যোগ মানবতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লিটন দাশ নবীগঞ্জ শহরতলীর শিবপাশা গ্রামে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি সমস্যায় ভুগছিলেন।

লিটন দাশ মৃত্যুর আগে তার পরিবারকে জানান, তার মৃতদেহ দাহ না করে মানবকল্যাণের কাজে লাগানোর জন্য হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দান করতে চান। এ বিষয়ে তিনি ১৩ আগস্ট হবিগঞ্জের বিজ্ঞ নোটারি কার্যালয়ে মরণোত্তর দেহদানের ঘোষণাপত্র সম্পাদন করেন।

মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, বিভাগীয় প্রধান এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা মৃতদেহ হস্তান্তরের জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি সহ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে লিটন দাশের বড় ভাই দিপু দাশ ও আত্মীয়স্বজনরা মৃতদেহটি মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন