ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটে একই পরিবারের তিনজন হত্যার ঘটনায় তিনজন গ্রেপ্তার

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৫:১৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২১৬ Time View

বাগেরহাটের কচুয়ায় একই পরিবারের তিনজনকে হত্যার ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানায়, পরকীয়া সম্পর্ক ফাঁস হওয়া এবং পারিবারিক বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন কচুয়া উপজেলার চান্দেরখোলা গ্রামের জাহিদুল ইসলাম (৪০), আসাদুল শেখ (৪১) এবং মো. আরিফ হাওলাদার (৩৮)। তারা পরস্পরের প্রতিবেশী ও আত্মীয়। পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

পুলিশ জানায়, গত ২ আগস্ট রাতে মনিরা বেগম (৬০), তার ছেলে আহাদ আলী হাওলাদার (২৫) এবং শাশুড়ি রাশিদা বেগম (৯৩) হত্যার শিকার হন। ঘটনার দুই দিন পর ৪ আগস্ট তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মনিরার বড় ছেলে ফয়সাল হাওলাদার বাদী হয়ে কচুয়া থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

পুলিশ সুপার জানান, হত্যাকাণ্ডের পর জাহিদুল ইসলামকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে প্রযুক্তিগত তদন্তের মাধ্যমে আসাদুল ও আরিফকে শনাক্ত করা হয়। শনিবার অভিযান চালিয়ে আরিফকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আসাদুলের বাড়ি থেকে নিহত আহাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। হত্যাকাণ্ডের পেছনে পরকীয়া সম্পর্কের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে, যা নিহত মনিরা বেগমের সঙ্গে জাহিদের বাকবিতণ্ডার কারণ ছিল।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সারের কৃত্রিম সংকটের অভিযোগে কৃষকদের মহাসড়ক অবরোধ

বাগেরহাটে একই পরিবারের তিনজন হত্যার ঘটনায় তিনজন গ্রেপ্তার

আপলোড সময় : ০৫:১৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাগেরহাটের কচুয়ায় একই পরিবারের তিনজনকে হত্যার ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানায়, পরকীয়া সম্পর্ক ফাঁস হওয়া এবং পারিবারিক বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন কচুয়া উপজেলার চান্দেরখোলা গ্রামের জাহিদুল ইসলাম (৪০), আসাদুল শেখ (৪১) এবং মো. আরিফ হাওলাদার (৩৮)। তারা পরস্পরের প্রতিবেশী ও আত্মীয়। পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

পুলিশ জানায়, গত ২ আগস্ট রাতে মনিরা বেগম (৬০), তার ছেলে আহাদ আলী হাওলাদার (২৫) এবং শাশুড়ি রাশিদা বেগম (৯৩) হত্যার শিকার হন। ঘটনার দুই দিন পর ৪ আগস্ট তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মনিরার বড় ছেলে ফয়সাল হাওলাদার বাদী হয়ে কচুয়া থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

পুলিশ সুপার জানান, হত্যাকাণ্ডের পর জাহিদুল ইসলামকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে প্রযুক্তিগত তদন্তের মাধ্যমে আসাদুল ও আরিফকে শনাক্ত করা হয়। শনিবার অভিযান চালিয়ে আরিফকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আসাদুলের বাড়ি থেকে নিহত আহাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। হত্যাকাণ্ডের পেছনে পরকীয়া সম্পর্কের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে, যা নিহত মনিরা বেগমের সঙ্গে জাহিদের বাকবিতণ্ডার কারণ ছিল।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন