ঢাকা ০৫:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় আপিলের রায় ঘোষণা অপেক্ষমাণ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৩:১১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০১ Time View

আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় আপিল শুনানি শেষ হয়েছে এবং আপিল বিভাগ যেকোনো দিন রায় ঘোষণা করবেন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন।

আসামিপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা।

মুক্তিযোদ্ধা ও শ্রমিকনেতা আহসানউল্লাহ মাস্টার ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সমাবেশে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি গাজীপুর-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল মামলার রায় ঘোষণা করে, যেখানে ২২ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন এবং ২০১৬ সালের ১৫ জুন হাইকোর্টের রায়ে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ছয়জন হলেন নুরুল ইসলাম সরকার, নুরুল ইসলাম দীপু, মাহবুবুর রহমান মাহবুব, শহীদুল ইসলাম শিপু, হাফিজ ওরফে কানা হাফিজ এবং সোহাগ ওরফে সরু। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন টিপু ও নুরুল আমিন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

১৪ বোয়িং বিমান কেনার চুক্তির তথ্য প্রকাশের দাবিতে আইনি নোটিশ

আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় আপিলের রায় ঘোষণা অপেক্ষমাণ

আপলোড সময় : ০৩:১১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় আপিল শুনানি শেষ হয়েছে এবং আপিল বিভাগ যেকোনো দিন রায় ঘোষণা করবেন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন।

আসামিপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা।

মুক্তিযোদ্ধা ও শ্রমিকনেতা আহসানউল্লাহ মাস্টার ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সমাবেশে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি গাজীপুর-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল মামলার রায় ঘোষণা করে, যেখানে ২২ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন এবং ২০১৬ সালের ১৫ জুন হাইকোর্টের রায়ে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ছয়জন হলেন নুরুল ইসলাম সরকার, নুরুল ইসলাম দীপু, মাহবুবুর রহমান মাহবুব, শহীদুল ইসলাম শিপু, হাফিজ ওরফে কানা হাফিজ এবং সোহাগ ওরফে সরু। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন টিপু ও নুরুল আমিন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন