মানুষের নামের গুরুত্ব সামাজিক পরিচয়ের পাশাপাশি আখিরাতের সঙ্গেও সম্পর্কিত। হাদিস শরিফে উল্লেখ আছে, কেয়ামতের দিন মানুষকে তার নাম ও পিতার নাম ধরে ডাকা হবে। তাই শিশুর নামকরণ একটি ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হয়।
নাম রাখার ক্ষেত্রে অনেকেই নবী, সাহাবি বা বড় আলেম-মনীষীর নাম বেছে নেন, যা প্রশংসনীয়। নবীজি (সা.) নিজ সন্তানের নাম রেখেছিলেন মুসলিম জাতির পিতা ইবরাহীম আলাইহিস সালামের নামানুসারে।
তবে কিছু মানুষ মনে করেন, যদি সন্তানের নাম কোনো নবী বা বুজুর্গের নামে রাখা হয়, তাহলে কেয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা ওই নামের ওসিলায় সবাইকে মাফ করে দেবেন। এই বিষয়ে রাজধানীর জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তুস সালামের ফতোয়া বিভাগের প্রধান মুফতি আব্দুর রহমান হোসাইনী বলেন, এটি একটি কল্পনাপ্রসূত কথা, যার কোনো ভিত্তি নেই।
তিনি আরও জানান, শরিয়তের মেজাজের বিরুদ্ধে গিয়ে কাউকে নামের কারণে মাফ করে দেওয়ার বিষয়টি ভাববার সুযোগ নেই। তবে নাম অবশ্যই ইসলামসম্মত ও সুন্দর অর্থবোধক হতে হবে।
হাদিস শরিফে এসেছে, কেয়ামতের দিন তোমাদের পিতার নামসহ ডাকা হবে; সুতরাং সন্তানদের সুন্দর নাম রাখার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। (আবু দাউদ: ৪৯৪৮)
অনলাইন ডেক্স 
























