পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সনদ নেওয়ার নিয়ম থাকা সত্ত্বেও অনেক মাংস ব্যবসায়ী তা মানছেন না। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে কেউ সনদ নেননি, আবার কয়েকজন এখনও একবারও সনদ নেননি। এর ফলে অসুস্থ বা রোগাক্রান্ত পশু জবাইয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেবীগঞ্জ পৌরসভাসহ বিভিন্ন এলাকায় গরু জবাইয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্য সনদ নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। তবে বাস্তবে অনেক ব্যবসায়ী নিয়মিত সনদ নিচ্ছেন না। সর্বশেষ সনদ গ্রহণের তারিখ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কয়েকজন নিয়মিত সনদ নিলেও অনেকের ক্ষেত্রে দীর্ঘ বিরতি রয়েছে।
চিলাহাটি ইউনিয়নের মো. আজিম উদ্দিন সর্বশেষ স্বাস্থ্য সনদ নিয়েছেন ১৬ আগস্ট এবং রাজু ইসলাম নিয়েছেন ৭ আগস্ট। অন্যদিকে, সোনাহার ইউনিয়নের তৌহিদুল এবং দণ্ডপাল ইউনিয়নের রনি ইসলাম এখন পর্যন্ত কোনো স্বাস্থ্য সনদ নেননি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই অসুস্থ পশু জবাইয়ের আশঙ্কা বাড়ছে। মাংস বিক্রির সময়সীমা না মানা, বাইরে থেকে মাংস এনে বিক্রি করা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগও বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য সনদ নিতে ব্যবসায়ীদের অনীহা এবং প্রশাসনিক তদারকির অভাব ভোক্তাদের জন্য নতুন জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আখতারুজ্জামান জানান, জনবল সংকটের কারণে নিয়মিত তদারকি কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তবে তিনি ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণের বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজীৎ সাহা বলেন, স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণের বিষয়টি কার্যকরভাবে প্রচলিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
অনলাইন ডেক্স 























