দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি এখনও পুরোপুরি কাটেনি। আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে দেড় হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং হতে পারে। বিশেষ করে বিকেল ৪টার দিকে ঘাটতি প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য বিশ্লেষণ করে এ চিত্র পাওয়া গেছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, বিকেল ৪টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট এবং উৎপাদন ১৩ হাজার ৬৪০ মেগাওয়াট হতে পারে। ফলে ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ১ হাজার ৯৬৭ মেগাওয়াটে।
বিকেল ৫টায় বিদ্যুতের চাহিদা ১৫ হাজার ৪৬০ মেগাওয়াটের বিপরীতে উৎপাদন হতে পারে ১৩ হাজার ৭২০ মেগাওয়াট। এ সময়ে লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস ১ হাজার ৬৬২ মেগাওয়াট। সন্ধ্যা ৬টার দিকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে, তবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর আবার বিদ্যুতের ঘাটতি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রাতের দিকে বিদ্যুতের চাহিদা আরও বাড়বে। রাত ৮টায় চাহিদা ১৭ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে, যেখানে উৎপাদন হতে পারে ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। ফলে এ সময় লোডশেডিং হতে পারে ১ হাজার ৬২৩ মেগাওয়াট। রাত ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস ১ হাজার ৬৫২ মেগাওয়াট থেকে ১ হাজার ৮৬২ মেগাওয়াট পর্যন্ত উঠতে পারে।
অর্থাৎ, বিকেল ৪টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কোনো সময়ই লোডশেডিং পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার পূর্বাভাস নেই। সন্ধ্যা ৬টার দিকে পরিস্থিতির সাময়িক উন্নতি হলেও রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবারও বিদ্যুতের ঘাটতি বাড়তে পারে।
অনলাইন ডেক্স 

























