চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্টকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এবং হলে অবৈধভাবে সিট দখলের চেষ্টা প্রতিরোধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি সোহরাওয়ার্দী হল ও এফ রহমান হল প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় মসজিদ হয়ে পুনরায় জিরো পয়েন্টে এসে শেষ হয়।
বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা ‘হল দখলের রাজনীতি চলবে না’, ‘সিট দখলের রাজনীতি চলবে না’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। ছাত্রশিবিরের নেতারা অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টনের পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সিট দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং ক্যাম্পাসে অছাত্রদের অবস্থানের প্রতিবাদ জানান।
চবি ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক ইসহাক ভুঁইয়া বলেন, “হলের প্রভোস্টের সঙ্গে অছাত্রকে সিট দেওয়ার বিষয়ে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ অত্যন্ত দুঃখজনক।” তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থীরা কোনো ধরনের টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি কিংবা সিট দখলের রাজনীতি মেনে নেবে না।”
এদিকে, সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মান্নান ও চবি ছাত্রদলের সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল নোমানের একটি কথোপকথনের অডিও ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্রশিবিরের দাবি, ওই কথোপকথনে প্রভোস্টকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে অধ্যাপক আব্দুল মান্নান পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন।
পদত্যাগের বিষয়ে অধ্যাপক আব্দুল মান্নান বলেন, “আমি এসব বিষয়ে আর কিছু বলতে চাই না। আমি চাই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ শান্ত থাকুক।” ছাত্রশিবিরের নেতারা প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান, যাতে হলের সিট বণ্টন এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
অনলাইন ডেক্স 














