ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহে কাস্টমস কর্মীর ১৫ টুকরা মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৭:২১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০১ Time View

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় নিখোঁজের ৯ দিন পর কাস্টমসের নিরাপত্তা শাখার কর্মী রাকিব রায়হানের (৪০) ১৫ টুকরা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে রাকিবের বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা চাপাতি, লোহার রড, তিনটি ছুরি, একটি কাঠের খাটিয়া এবং রক্তমাখা পাঞ্জাবি উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বাড়ির কেয়ারটেকার রাজু মির্জা ও তার চাচাতো ভাই জিতুল। তাদের সিলেটের শ্রীমঙ্গল উপজেলার রেলস্টেশন থেকে মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ত্রিশাল সার্কেলের এএসপি এস এম হাসান ইস্রাফীল জানিয়েছেন, রাকিব ঢাকার কমলাপুর শাখায় নিরাপত্তা শাখায় কর্মরত ছিলেন। তিনি প্রতি বৃহস্পতিবার বাড়িতে আসতেন এবং শনিবার ভোরে ঢাকায় ফিরে যেতেন। সর্বশেষ ২৩ জুলাই বাড়িতে আসার পর ২৪ জুলাই বিকেল থেকে নিখোঁজ হন।

এএসপি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে টাকার লোভে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। উদ্ধার হওয়া গাছের গুঁড়িতে রাকিবের মরদেহ টুকরো টুকরো করা হয় এবং পরে সেগুলো তার বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।

রাকিব রায়হান ওই গ্রামের মৃত ছিদ্দিক তালুকদারের ছেলে এবং তার মা রাহেলা খাতুন। তিনি বিবাহিত হলেও কয়েক বছর আগে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটে। নিখোঁজ হওয়ার আগে তার বড় ভাই নূরুল ইসলামের সঙ্গে শেষবার কথা হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির মামলা প্রত্যাহার হলেও হেফাজতের মামলা বহাল: মিজানুর রহমান চৌধুরী

ময়মনসিংহে কাস্টমস কর্মীর ১৫ টুকরা মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

আপলোড সময় : ০৭:২১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় নিখোঁজের ৯ দিন পর কাস্টমসের নিরাপত্তা শাখার কর্মী রাকিব রায়হানের (৪০) ১৫ টুকরা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে রাকিবের বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা চাপাতি, লোহার রড, তিনটি ছুরি, একটি কাঠের খাটিয়া এবং রক্তমাখা পাঞ্জাবি উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বাড়ির কেয়ারটেকার রাজু মির্জা ও তার চাচাতো ভাই জিতুল। তাদের সিলেটের শ্রীমঙ্গল উপজেলার রেলস্টেশন থেকে মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ত্রিশাল সার্কেলের এএসপি এস এম হাসান ইস্রাফীল জানিয়েছেন, রাকিব ঢাকার কমলাপুর শাখায় নিরাপত্তা শাখায় কর্মরত ছিলেন। তিনি প্রতি বৃহস্পতিবার বাড়িতে আসতেন এবং শনিবার ভোরে ঢাকায় ফিরে যেতেন। সর্বশেষ ২৩ জুলাই বাড়িতে আসার পর ২৪ জুলাই বিকেল থেকে নিখোঁজ হন।

এএসপি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে টাকার লোভে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। উদ্ধার হওয়া গাছের গুঁড়িতে রাকিবের মরদেহ টুকরো টুকরো করা হয় এবং পরে সেগুলো তার বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।

রাকিব রায়হান ওই গ্রামের মৃত ছিদ্দিক তালুকদারের ছেলে এবং তার মা রাহেলা খাতুন। তিনি বিবাহিত হলেও কয়েক বছর আগে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটে। নিখোঁজ হওয়ার আগে তার বড় ভাই নূরুল ইসলামের সঙ্গে শেষবার কথা হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন