ঢাকা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী: ‘আমরা যুদ্ধ শুরু করিনি, সামরিক আগ্রাসন মেনে নেব না’

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৫:৪০:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • ২২০ Time View

ইরানের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী সৈয়দ মজিদ ইবনে আল-রেজা বলেছেন, তার দেশের সশস্ত্র বাহিনী কখনো কোনো যুদ্ধ শুরু করেনি। তবে ইরানের স্বাধীনতা, ভূখণ্ড ও নিরাপত্তার ওপর কোনো ধরনের সামরিক আগ্রাসন মেনে নেওয়া হবে না। শুক্রবার (২১ আগস্ট) তেহরানের ইমাম খোমেনি মুসাল্লায় জুমার নামাজের আগে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ইবনে আল-রেজা দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে সর্বশেষ সংঘাতে ইরান আগের ১২ দিনের যুদ্ধের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী অবস্থান থেকে প্রবেশ করেছে। তিনি বলেন, এই যুদ্ধ ইরানের জন্য একটি কঠিন পরীক্ষা ছিল, তবে এতে জাতীয় আত্মবিশ্বাসের শক্তি প্রদর্শিত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নিজেদের সক্ষমতার ওপর আস্থা রেখে, তরুণদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে ইরানি জনগণ যেকোনো হুমকি মোকাবিলা করতে পারে।

ইবনে আল-রেজা বলেন, পরবর্তী সংঘাতে শত্রুর ঘাঁটিতে প্রবেশ এবং আঞ্চলিক গতিবিধি পর্যবেক্ষণের সক্ষমতা ইরানের বেড়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের বর্তমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতা যুদ্ধ করার জন্য নয়, বরং যুদ্ধ ও আগ্রাসন ঠেকানোর জন্য।

তিনি স্পষ্ট করেন, ইরান কখনো কোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন শুরু করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। তবে ইরানের ভূখণ্ড, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসনের চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি নিয়ে ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী: ‘আমরা যুদ্ধ শুরু করিনি, সামরিক আগ্রাসন মেনে নেব না’

আপলোড সময় : ০৫:৪০:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

ইরানের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী সৈয়দ মজিদ ইবনে আল-রেজা বলেছেন, তার দেশের সশস্ত্র বাহিনী কখনো কোনো যুদ্ধ শুরু করেনি। তবে ইরানের স্বাধীনতা, ভূখণ্ড ও নিরাপত্তার ওপর কোনো ধরনের সামরিক আগ্রাসন মেনে নেওয়া হবে না। শুক্রবার (২১ আগস্ট) তেহরানের ইমাম খোমেনি মুসাল্লায় জুমার নামাজের আগে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ইবনে আল-রেজা দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে সর্বশেষ সংঘাতে ইরান আগের ১২ দিনের যুদ্ধের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী অবস্থান থেকে প্রবেশ করেছে। তিনি বলেন, এই যুদ্ধ ইরানের জন্য একটি কঠিন পরীক্ষা ছিল, তবে এতে জাতীয় আত্মবিশ্বাসের শক্তি প্রদর্শিত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নিজেদের সক্ষমতার ওপর আস্থা রেখে, তরুণদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে ইরানি জনগণ যেকোনো হুমকি মোকাবিলা করতে পারে।

ইবনে আল-রেজা বলেন, পরবর্তী সংঘাতে শত্রুর ঘাঁটিতে প্রবেশ এবং আঞ্চলিক গতিবিধি পর্যবেক্ষণের সক্ষমতা ইরানের বেড়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের বর্তমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতা যুদ্ধ করার জন্য নয়, বরং যুদ্ধ ও আগ্রাসন ঠেকানোর জন্য।

তিনি স্পষ্ট করেন, ইরান কখনো কোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন শুরু করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। তবে ইরানের ভূখণ্ড, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসনের চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন