পর্তুগালে প্রকাশ্য স্থানে মুখ ঢেকে রাখার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নতুন আইনে বোরকাসহ মুখ ঢেকে রাখে এমন যেকোনো ধরনের আবরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইন ভঙ্গ করলে ১৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও জোসে সেগুরো এ সপ্তাহেই নতুন আইন কার্যকরের ঘোষণা দেন। আইনটি ‘বোরকা আইন’ নামে পরিচিতি পেয়েছে।
আইনে সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় পোশাকের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে মুসলিম নারীদের পোশাককে লক্ষ্য করেই আইনটি করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন আইনে স্বাস্থ্যগত, পেশাগত, শৈল্পিক বা আবহাওয়াজনিত কারণে মুখ ঢেকে রাখার অনুমতি রাখা হয়েছে। উপাসনালয়, কূটনৈতিক মিশন ও বিমানের ভেতরেও নিষেধাজ্ঞাটি প্রযোজ্য হবে না।
আইনে লিঙ্গ, ধর্ম, বয়স বা জাতিগত পরিচয়ের কারণে কাউকে জোর করে মুখ ঢাকতে বাধ্য করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট সেগুরো এক বিবৃতিতে বলেন, মানুষের মুখ তার পরিচয় ও যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
তিনি বিষয়টিকে সামাজিক ও সাংস্কৃতিকভাবে সংবেদনশীল বলেও স্বীকার করেন এবং ব্যক্তিস্বাধীনতা, ধর্মীয় অধিকার, লৈঙ্গিক সমতা ও সামাজিক সংহতির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন বলে মন্তব্য করেন। আইনটির সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কয়েকটি আইনজীবী সংগঠন।
অনলাইন ডেক্স 
























