প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ৫ আগস্ট স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর একটি ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করেছে। তিনি সোমবার (২০ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিএনপির শরিক নেতাদের সম্মানে নৈশভোজের আগে এক মতবিনিময় সভায় এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, “বিগত আন্দোলনে তাদেরকে কোথাও দেখা যায়নি। অনেকে পালিয়ে ছিল। নির্বাচনের পর এই গুপ্তবাহিনীকে দিশাহারার মতো বক্তব্য রাখতে দেখেছি।” তারেক রহমান আরও উল্লেখ করেন, বিএনপি ও শরিকরা প্রতিটি আন্দোলনে সামনে ছিল।
তারেক রহমান বলেন, “আমরা একসঙ্গে আছি, ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও একসঙ্গে থাকবো। আমাদের মধ্যে মতভিন্নতা থাকতে পারে, কিন্তু বিভেদ নেই।” তিনি ৩১ দফার মাধ্যমে একত্রিত হওয়ার কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য এক।”
প্রধানমন্ত্রী অতীতের আন্দোলনের কথা স্মরণ করে বলেন, “রাজপথে আমরা তাদেরকে দেখিনি। ১৭ বছর বিভিন্ন জায়গায় আমরা তাদেরকে দেখিনি।” তিনি দেশের মানুষের ওপর আস্থা রাখার কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন, “দেশের মানুষের আস্থা ধরে রাখার জন্য আমাদেরকে যেকোনও মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
তিনি বলেন, “নির্বাচনে জনগণ ৩১ দফার পক্ষে রায় দিয়েছে। এখন এই ৩১ দফা শুধু আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো নয় বরং বাংলাদেশের জনগণের ৩১ দফা হয়ে গেছে।”
অনলাইন ডেক্স 




















