ঢাকা ০১:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উচ্চশিক্ষায় পিএইচডির গুরুত্ব: বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৮:০০:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • ২৩৩ Time View

বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা নিয়ে আলোচনা হলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি ও অবকাঠামো নির্মাণের প্রসঙ্গ সামনে আসে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে কতজন শিক্ষক পিএইচডি ডিগ্রিধারী, তা একটি মৌলিক প্রশ্ন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত শক্তি তার শিক্ষক-গবেষকদের জ্ঞান ও গবেষণা সক্ষমতায় নিহিত।

২০২৪ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের ৫৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ১৭,৭৪৬ জন শিক্ষকের মধ্যে প্রায় ৬,৬৪০ জন (৩৭.৪ শতাংশ) পিএইচডি ডিগ্রিধারী। অন্যদিকে, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাধারণত ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ শিক্ষক পিএইচডিধারী। এই ব্যবধান বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার প্রতিফলন।

পিএইচডি কেবল একটি অ্যাকাডেমিক ডিগ্রি নয়; এটি গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টির সক্ষমতার স্বীকৃতি। পিএইচডিধারী শিক্ষকরা গবেষণা প্রকল্প পরিচালনা, আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্কে অংশগ্রহণ এবং উচ্চমানের জার্নালে প্রকাশনায় অধিক দক্ষ হন।

বর্তমানে অনেক তরুণ শিক্ষক পিএইচডি অর্জনের আগেই দীর্ঘ সময় পাঠদানে নিয়োজিত থাকেন। পর্যাপ্ত ফেলোশিপ ও গবেষণা অনুদানের অভাবে অনেকের পিএইচডি শুরু করতে বিলম্ব হয়, যা গবেষণার গতি কমায়।

বাংলাদেশে একটি সমন্বিত জাতীয় ফ্যাকাল্টি ডেভেলপমেন্ট কর্মসূচি গ্রহণের সময় এসেছে। এই কর্মসূচির আওতায় দেশি ও বিদেশি পিএইচডি ফেলোশিপ, পোস্টডক্টরাল গবেষণা ও গবেষণা অনুদানকে একত্রিত করা যেতে পারে। উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও শিক্ষক।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে কৃষি জমির পাশ থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

উচ্চশিক্ষায় পিএইচডির গুরুত্ব: বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

আপলোড সময় : ০৮:০০:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা নিয়ে আলোচনা হলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি ও অবকাঠামো নির্মাণের প্রসঙ্গ সামনে আসে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে কতজন শিক্ষক পিএইচডি ডিগ্রিধারী, তা একটি মৌলিক প্রশ্ন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত শক্তি তার শিক্ষক-গবেষকদের জ্ঞান ও গবেষণা সক্ষমতায় নিহিত।

২০২৪ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের ৫৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ১৭,৭৪৬ জন শিক্ষকের মধ্যে প্রায় ৬,৬৪০ জন (৩৭.৪ শতাংশ) পিএইচডি ডিগ্রিধারী। অন্যদিকে, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাধারণত ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ শিক্ষক পিএইচডিধারী। এই ব্যবধান বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার প্রতিফলন।

পিএইচডি কেবল একটি অ্যাকাডেমিক ডিগ্রি নয়; এটি গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টির সক্ষমতার স্বীকৃতি। পিএইচডিধারী শিক্ষকরা গবেষণা প্রকল্প পরিচালনা, আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্কে অংশগ্রহণ এবং উচ্চমানের জার্নালে প্রকাশনায় অধিক দক্ষ হন।

বর্তমানে অনেক তরুণ শিক্ষক পিএইচডি অর্জনের আগেই দীর্ঘ সময় পাঠদানে নিয়োজিত থাকেন। পর্যাপ্ত ফেলোশিপ ও গবেষণা অনুদানের অভাবে অনেকের পিএইচডি শুরু করতে বিলম্ব হয়, যা গবেষণার গতি কমায়।

বাংলাদেশে একটি সমন্বিত জাতীয় ফ্যাকাল্টি ডেভেলপমেন্ট কর্মসূচি গ্রহণের সময় এসেছে। এই কর্মসূচির আওতায় দেশি ও বিদেশি পিএইচডি ফেলোশিপ, পোস্টডক্টরাল গবেষণা ও গবেষণা অনুদানকে একত্রিত করা যেতে পারে। উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও শিক্ষক।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন