ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিস্তার পানি বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১০:০৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • ২০৬ Time View

উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার তিস্তা-তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার।

সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানির সমতল রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ২৫ মিটার। স্থানীয়দের মতে, কয়েক দিন ধরে উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদীর পানি ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্লাবিত এলাকার মধ্যে পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়ন এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী, শৌলমারী ও কৈমারী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, প্রায় ৫টি চর ও চরগ্রামের ৩ হাজার বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে।

পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান বলেন, পানি বাড়তে থাকায় কৃষকরা মাছের ঘের জাল দিয়ে রক্ষার চেষ্টা করছেন এবং গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং অতিরিক্ত পানি নিরাপদে প্রবাহিত করতে ব্যারাজের সব ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। উজানে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পানি আরও বাড়তে পারে।

স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালেন প্রতিমন্ত্রী অমিত

তিস্তার পানি বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

আপলোড সময় : ১০:০৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার তিস্তা-তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার।

সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানির সমতল রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ২৫ মিটার। স্থানীয়দের মতে, কয়েক দিন ধরে উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদীর পানি ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্লাবিত এলাকার মধ্যে পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়ন এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী, শৌলমারী ও কৈমারী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, প্রায় ৫টি চর ও চরগ্রামের ৩ হাজার বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে।

পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান বলেন, পানি বাড়তে থাকায় কৃষকরা মাছের ঘের জাল দিয়ে রক্ষার চেষ্টা করছেন এবং গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং অতিরিক্ত পানি নিরাপদে প্রবাহিত করতে ব্যারাজের সব ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। উজানে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পানি আরও বাড়তে পারে।

স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন