ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটে স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খেয়ে ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১০:১৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ২৪০ Time View

বাগেরহাটের শরণখোলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় সিদ্ধ ডিম খেয়ে ১১ জন শিশু শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনা বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে ধানসাগর ইউনিয়নের ৯৮ পূর্ব ধানসাগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটে।

অসুস্থ শিক্ষার্থীরা তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসিমা আক্তার জানান, তাদের তত্ত্বাবধানে ডিম সিদ্ধ করে শিক্ষার্থীদের খাওয়ানো হয়েছিল এবং সব ডিমই ভালো ছিল। প্রথম শিফটের শিক্ষার্থীরা একই ডিম খেয়েও অসুস্থ হয়নি, তবে দ্বিতীয় শিফটের কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে।

খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ওসাকার প্রোগ্রাম ম্যানেজার আলিম আল রাজি মুক্তি বলেন, শরণখোলার ১১৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একই সময়ে ডিম সরবরাহ করা হয়েছে এবং অন্য কোনো বিদ্যালয়ে এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। তিনি জানান, আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের অবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং তারা বর্তমানে স্বাভাবিক আছেন।

শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রিয় গোপাল বিশ্বাস জানান, ডিম খাওয়ার পর ১১ জন শিশু পেটব্যথা ও অস্বস্তিবোধ করায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পর তারা সুস্থ হয়ে উঠেছে এবং বর্তমানে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

শরণখোলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুনির আহমেদ বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ডিমে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। একই ডিম প্রথম শিফটের শিক্ষার্থীরাও খেয়েছে এবং তাদের কোনো সমস্যা হয়নি। প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে পরীক্ষার জন্য ডিমের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

অনলাইনে হুংকার দিয়ে জনগণকে ভয় দেখানো যাবে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বাগেরহাটে স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খেয়ে ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

আপলোড সময় : ১০:১৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

বাগেরহাটের শরণখোলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় সিদ্ধ ডিম খেয়ে ১১ জন শিশু শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনা বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে ধানসাগর ইউনিয়নের ৯৮ পূর্ব ধানসাগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটে।

অসুস্থ শিক্ষার্থীরা তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসিমা আক্তার জানান, তাদের তত্ত্বাবধানে ডিম সিদ্ধ করে শিক্ষার্থীদের খাওয়ানো হয়েছিল এবং সব ডিমই ভালো ছিল। প্রথম শিফটের শিক্ষার্থীরা একই ডিম খেয়েও অসুস্থ হয়নি, তবে দ্বিতীয় শিফটের কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে।

খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ওসাকার প্রোগ্রাম ম্যানেজার আলিম আল রাজি মুক্তি বলেন, শরণখোলার ১১৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একই সময়ে ডিম সরবরাহ করা হয়েছে এবং অন্য কোনো বিদ্যালয়ে এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। তিনি জানান, আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের অবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং তারা বর্তমানে স্বাভাবিক আছেন।

শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রিয় গোপাল বিশ্বাস জানান, ডিম খাওয়ার পর ১১ জন শিশু পেটব্যথা ও অস্বস্তিবোধ করায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পর তারা সুস্থ হয়ে উঠেছে এবং বর্তমানে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

শরণখোলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুনির আহমেদ বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ডিমে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। একই ডিম প্রথম শিফটের শিক্ষার্থীরাও খেয়েছে এবং তাদের কোনো সমস্যা হয়নি। প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে পরীক্ষার জন্য ডিমের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন