ঢাকা ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে মুয়াজ্জিনের হাতে নারীর হত্যাকাণ্ড, লুটপাটের অভিযোগ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ২০৪ Time View

টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় মসজিদের মুয়াজ্জিন মো. মোশারফ হোসেন (৪২) টাকা ধার চেয়ে না পেয়ে নাজমা আলম (৫১)কে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন। হত্যার পর তিনি ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট করে আলামত নষ্ট করেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হত্যার বিচার দাবি করেন মোশারফ, কিন্তু ১৬ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ তদন্তে তাকে আটক করে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এস এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন মোশারফ, যা টাঙ্গাইলের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম মাহবুব খান লিপিবদ্ধ করেন। রাত আটটায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

নাজমা আলমের স্বামী শফিউল আলম, যিনি পেশায় ভেটেরিনারি চিকিৎসক, ঘটনার সময় বাসায় ছিলেন না। গৃহকর্মী এসে নাজমাকে হাত বাঁধা অবস্থায় দেখতে পান। পুলিশ তদন্ত শুরু করলে মোশারফের প্রতি সন্দেহ তৈরি হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং লুট করা স্বর্ণালংকার বিক্রির জন্য সন্তোষ কর্মকার নামের এক জুয়েলারি ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মোশারফ হত্যার আলামত ধ্বংসের জন্য সিসিটিভি ডিভিআর খুলে ফেলেন এবং মনিটরটি ভেঙে নষ্ট করেন। ঘটনার পর তিনি প্রতিবেশীদের সঙ্গে মিশে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মোশারফের বালিশের নিচে ২৬ হাজার ৩২০ টাকা এবং হত্যাকাণ্ডের সময় পড়ে থাকা পোশাক জব্দ করে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :

স্কুল ফিডিংয়ের খাবার আত্মসাত: প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

টাঙ্গাইলে মুয়াজ্জিনের হাতে নারীর হত্যাকাণ্ড, লুটপাটের অভিযোগ

আপলোড সময় : ১২:০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় মসজিদের মুয়াজ্জিন মো. মোশারফ হোসেন (৪২) টাকা ধার চেয়ে না পেয়ে নাজমা আলম (৫১)কে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন। হত্যার পর তিনি ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট করে আলামত নষ্ট করেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হত্যার বিচার দাবি করেন মোশারফ, কিন্তু ১৬ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ তদন্তে তাকে আটক করে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এস এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন মোশারফ, যা টাঙ্গাইলের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম মাহবুব খান লিপিবদ্ধ করেন। রাত আটটায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

নাজমা আলমের স্বামী শফিউল আলম, যিনি পেশায় ভেটেরিনারি চিকিৎসক, ঘটনার সময় বাসায় ছিলেন না। গৃহকর্মী এসে নাজমাকে হাত বাঁধা অবস্থায় দেখতে পান। পুলিশ তদন্ত শুরু করলে মোশারফের প্রতি সন্দেহ তৈরি হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং লুট করা স্বর্ণালংকার বিক্রির জন্য সন্তোষ কর্মকার নামের এক জুয়েলারি ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মোশারফ হত্যার আলামত ধ্বংসের জন্য সিসিটিভি ডিভিআর খুলে ফেলেন এবং মনিটরটি ভেঙে নষ্ট করেন। ঘটনার পর তিনি প্রতিবেশীদের সঙ্গে মিশে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মোশারফের বালিশের নিচে ২৬ হাজার ৩২০ টাকা এবং হত্যাকাণ্ডের সময় পড়ে থাকা পোশাক জব্দ করে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন