ঢাকা ০৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেঘনায় দেলোয়ার হত্যার ঘটনায় ২৩ জনকে আসামি করে মামলা

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দেলোয়ার মৃধা (৩৫) হত্যার ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আব্দুল বাতেন মৃধা বাদি হয়ে ২৩ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এর মধ্যে ১৫ জনের নাম উল্লেখ এবং আরো ৮ জনকে অজ্ঞাত রেখে মামলা করেছেন।

উক্ত মামলায় চন্দনপুর ইউনিয়নের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য মো.নাছির উদ্দিন মেম্বারকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। 

নিহতের বড় ভাই উপজেলার চালিভাংগা ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামীর আমির।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেঘনা থানা ওসি শহিদুল ইসলাম। 

মামলার বাদি আব্দুল বাতেন মৃধা বলেন, চন্দনপুর ইউনিয়নের তুলাতুলি গ্রামে আমার জমির ওপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করে ইউপি সদস্য নাছির উদ্দীন। এতে আমি বলি জমির মাঝখান দিয়ে না নিয়ে এক পাশ দিয়ে নেওয়ার জন্য। এতেই নাছির ক্ষিপ্ত হয়। তারই জেরে ৯ মে (শুক্রবার) রাত আনুমানিক সাড়ে বারোটার দিকে আমার ছোট ভাই দেলোয়ার পুরান বাড়ি থেকে নতুন বাড়ি আসার পথে আগে থেকে ওতপেতে থাকা নাছির মেম্বার ও তার শ্যালক হালিমসহ তাদের সহযোগিরা মিলে পরিকল্পিতভাবে আমার ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করে। আমি আমার ভাই হত্যার বিচার চাই।

মামলার প্রধান আসামি নাছির মেম্বারের ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। 

মেঘনা থানা ভারপ্রাপ্ত ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, দেলোয়ার হত্যার ঘটনায় তারই বড় ভাই আব্দুল বাতেন মৃধা বাদি হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ৭/৮ জনকে অজ্ঞাত করে একটি হত্যা মামলা করেছেন। আমরা আসামি ধরার জন্য আমাদের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছেন।

প্রসঙ্গত, ৯ মে রাত আনুমানিক বারোটায় মেঘনা উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের তুলাতুলি গ্রামে  গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে চালিভাংগা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল মতিন মৃধা এবং চন্দনপুর ইউপি সদস্য ও যুবলীগ নেতা নাছির উদ্দীন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে দেলোয়ারকে কুপিয়ে হত্যা করে যুবলীগ নেতা নাছির। এসময় নাছির উদ্দীন, হালিম, আব্দুল আজিজ ও মো. কামাল উদ্দিন গুরুতর আহত হয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মেঘনায় দেলোয়ার হত্যার ঘটনায় ২৩ জনকে আসামি করে মামলা

আপলোড সময় : ০৩:৫৬:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দেলোয়ার মৃধা (৩৫) হত্যার ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আব্দুল বাতেন মৃধা বাদি হয়ে ২৩ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এর মধ্যে ১৫ জনের নাম উল্লেখ এবং আরো ৮ জনকে অজ্ঞাত রেখে মামলা করেছেন।

উক্ত মামলায় চন্দনপুর ইউনিয়নের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য মো.নাছির উদ্দিন মেম্বারকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। 

নিহতের বড় ভাই উপজেলার চালিভাংগা ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামীর আমির।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেঘনা থানা ওসি শহিদুল ইসলাম। 

মামলার বাদি আব্দুল বাতেন মৃধা বলেন, চন্দনপুর ইউনিয়নের তুলাতুলি গ্রামে আমার জমির ওপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করে ইউপি সদস্য নাছির উদ্দীন। এতে আমি বলি জমির মাঝখান দিয়ে না নিয়ে এক পাশ দিয়ে নেওয়ার জন্য। এতেই নাছির ক্ষিপ্ত হয়। তারই জেরে ৯ মে (শুক্রবার) রাত আনুমানিক সাড়ে বারোটার দিকে আমার ছোট ভাই দেলোয়ার পুরান বাড়ি থেকে নতুন বাড়ি আসার পথে আগে থেকে ওতপেতে থাকা নাছির মেম্বার ও তার শ্যালক হালিমসহ তাদের সহযোগিরা মিলে পরিকল্পিতভাবে আমার ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করে। আমি আমার ভাই হত্যার বিচার চাই।

মামলার প্রধান আসামি নাছির মেম্বারের ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। 

মেঘনা থানা ভারপ্রাপ্ত ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, দেলোয়ার হত্যার ঘটনায় তারই বড় ভাই আব্দুল বাতেন মৃধা বাদি হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ৭/৮ জনকে অজ্ঞাত করে একটি হত্যা মামলা করেছেন। আমরা আসামি ধরার জন্য আমাদের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছেন।

প্রসঙ্গত, ৯ মে রাত আনুমানিক বারোটায় মেঘনা উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের তুলাতুলি গ্রামে  গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে চালিভাংগা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল মতিন মৃধা এবং চন্দনপুর ইউপি সদস্য ও যুবলীগ নেতা নাছির উদ্দীন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে দেলোয়ারকে কুপিয়ে হত্যা করে যুবলীগ নেতা নাছির। এসময় নাছির উদ্দীন, হালিম, আব্দুল আজিজ ও মো. কামাল উদ্দিন গুরুতর আহত হয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন