ঢাকা ০২:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানবিক উদ্ধারকারীদের আইনি সুরক্ষা দেবে নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • ২০২ Time View

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিতে গিয়ে মানবিক উদ্ধারকারীদের বিরুদ্ধে মামলা না করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সড়ক নিরাপত্তা আইন-২০২৬’র খসড়ায় ‘গুড সামারিটান’ বা মানবিক উদ্ধারকারীদের আইনি সুরক্ষা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর আহত ব্যক্তির জীবন বাঁচাতে প্রথম এক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ের মধ্যে যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে প্রাণহানি ও গুরুতর শারীরিক ক্ষতির ঝুঁকি কমানো সম্ভব। কিন্তু আইনি ঝামেলার ভয়ে অনেকেই আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিতে চান না। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য উদ্ধারকারীদের আইনি সুরক্ষা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বিধান অনুযায়ী, মানবিক উদ্দেশ্যে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার বা হাসপাতালে স্থানান্তর করলে সেই সহায়তার কারণে সৃষ্ট দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতি বা মৃত্যুর জন্য উদ্ধারকারীকে দায়ী করা যাবে না। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, সাধারণ মানুষ যেন আইনি জটিলতার ভয়ে পিছিয়ে না যায়, সে জন্য কার্যকর সুরক্ষাব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়া, দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধার ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য কমিউনিটি ভলান্টিয়ার ও অ্যাম্বুলেন্স টিম গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এসব দল ৩০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে।

নতুন আইনের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ও আহতের সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করা। সংশ্লিষ্টদের মতে, গুড সামারিটান সুরক্ষা কার্যকর হলে সাধারণ মানুষের ভয় ও দ্বিধা কমবে, তবে অপব্যবহার ঠেকাতে আইনে সৎ উদ্দেশ্যে সহায়তার শর্ত স্পষ্ট করা জরুরি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির শোভাযাত্রা ঘিরে নয়াপল্টনে কঠোর নিরাপত্তা

মানবিক উদ্ধারকারীদের আইনি সুরক্ষা দেবে নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন

আপলোড সময় : ০১:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিতে গিয়ে মানবিক উদ্ধারকারীদের বিরুদ্ধে মামলা না করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সড়ক নিরাপত্তা আইন-২০২৬’র খসড়ায় ‘গুড সামারিটান’ বা মানবিক উদ্ধারকারীদের আইনি সুরক্ষা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর আহত ব্যক্তির জীবন বাঁচাতে প্রথম এক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ের মধ্যে যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে প্রাণহানি ও গুরুতর শারীরিক ক্ষতির ঝুঁকি কমানো সম্ভব। কিন্তু আইনি ঝামেলার ভয়ে অনেকেই আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিতে চান না। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য উদ্ধারকারীদের আইনি সুরক্ষা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বিধান অনুযায়ী, মানবিক উদ্দেশ্যে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার বা হাসপাতালে স্থানান্তর করলে সেই সহায়তার কারণে সৃষ্ট দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতি বা মৃত্যুর জন্য উদ্ধারকারীকে দায়ী করা যাবে না। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, সাধারণ মানুষ যেন আইনি জটিলতার ভয়ে পিছিয়ে না যায়, সে জন্য কার্যকর সুরক্ষাব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়া, দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধার ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য কমিউনিটি ভলান্টিয়ার ও অ্যাম্বুলেন্স টিম গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এসব দল ৩০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে।

নতুন আইনের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ও আহতের সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করা। সংশ্লিষ্টদের মতে, গুড সামারিটান সুরক্ষা কার্যকর হলে সাধারণ মানুষের ভয় ও দ্বিধা কমবে, তবে অপব্যবহার ঠেকাতে আইনে সৎ উদ্দেশ্যে সহায়তার শর্ত স্পষ্ট করা জরুরি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন