টিনেজারদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ানোর একটি কারণ হিসেবে ‘সোশ্যাল জেট ল্যাগ’ চিহ্নিত হয়েছে, যা বর্তমানে একটি গবেষণায় উঠে এসেছে। যুক্তরাজ্যের সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, ‘সোশ্যাল জেট ল্যাগ’ হলো শরীরের অভ্যন্তরীণ জৈবিক ঘড়ি এবং সামাজিক বা কাজের রুটিনের মধ্যে অমিল। এটি তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। গবেষকরা উল্লেখ করেছেন, বয়ঃসন্ধিকালে ঘুমের জৈবিক পরিবর্তন ঘটার কারণে টিনেজারদের ঘুমের চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
গবেষণায় ১২টি পৃথক গবেষণা অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে ২ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি অংশগ্রহণকারী ছিলেন। এতে দেখা যায়, যেসব কিশোর-কিশোরী উচ্চ মাত্রার ‘সোশ্যাল জেট ল্যাগ’-এর সম্মুখীন হয়, তাদের মধ্যে উদ্বেগের সম্ভাবনা বেশি। তবে গবেষকরা সতর্ক করেছেন যে, এটি একটি সম্পর্ক মাত্র, কোনো প্রমাণিত কার্যকারণ নয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ১০-১৪ বছর বয়সীদের ৪ দশমিক ৪ শতাংশ এবং ১৫-১৯ বছর বয়সীদের ৫ দশমিক ৫ শতাংশ উদ্বেগজনিত রোগে ভোগেন। এসব রোগের কারণে পরবর্তী জীবনে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
গবেষকরা উল্লেখ করেছেন, কৈশোরে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি সাধারণত কয়েক ঘণ্টা পিছিয়ে যায়, ফলে কিশোর-কিশোরীরা দেরিতে ঘুমাতে শুরু করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, টিনেজারদের ঘুমের স্বাস্থ্যকে উৎসাহিত করতে কাঠামোগত পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।
অনলাইন ডেক্স 

























