ঢাকা ০১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য মশারির অভাব, আতঙ্কে অন্যান্য রোগীরা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:০৫:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০৮ Time View

বরিশালে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে, বর্তমানে সাড়ে ছয় হাজারের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এ অবস্থায়, হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ডের ব্যবস্থা নেই এবং মশারির অভাব দেখা দিয়েছে।

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে সাধারণ রোগীদের সঙ্গে একই ওয়ার্ডে রাখা হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, রোগীর চাপ বেশি হওয়ায় আলাদা ডেঙ্গু ওয়ার্ড তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে না।

সরকারি মশারি বিতরণে নার্সদের পক্ষ থেকে চুরির ভয়ের কারণে রোগীদের মধ্যে মশারি দেওয়া হচ্ছে না। যারা মশারি নিয়ে আসছেন, তাদেরও টাঙানোর ব্যবস্থা নেই। ফলে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীরা মশারি ব্যবহার করতে পারছেন না, যা অন্যান্য রোগীদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় চলতি বছরের ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬ হাজার ৭৯১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩৮২ জনের মধ্যে ৬৭ জন শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছেন।

হাসপাতালের রোগীরা জানান, মশারি না পাওয়ার কারণে তারা উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের সঙ্গে সাধারণ রোগীদের একসঙ্গে থাকার ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জামানত ছাড়াই তরুণদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ ও অনুদান দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক

বরিশালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য মশারির অভাব, আতঙ্কে অন্যান্য রোগীরা

আপলোড সময় : ১২:০৫:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বরিশালে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে, বর্তমানে সাড়ে ছয় হাজারের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এ অবস্থায়, হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ডের ব্যবস্থা নেই এবং মশারির অভাব দেখা দিয়েছে।

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে সাধারণ রোগীদের সঙ্গে একই ওয়ার্ডে রাখা হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, রোগীর চাপ বেশি হওয়ায় আলাদা ডেঙ্গু ওয়ার্ড তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে না।

সরকারি মশারি বিতরণে নার্সদের পক্ষ থেকে চুরির ভয়ের কারণে রোগীদের মধ্যে মশারি দেওয়া হচ্ছে না। যারা মশারি নিয়ে আসছেন, তাদেরও টাঙানোর ব্যবস্থা নেই। ফলে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীরা মশারি ব্যবহার করতে পারছেন না, যা অন্যান্য রোগীদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় চলতি বছরের ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬ হাজার ৭৯১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩৮২ জনের মধ্যে ৬৭ জন শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছেন।

হাসপাতালের রোগীরা জানান, মশারি না পাওয়ার কারণে তারা উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের সঙ্গে সাধারণ রোগীদের একসঙ্গে থাকার ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন