ঢাকা ০৩:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনারের মতে, কার্বন বাণিজ্যে বাংলাদেশের সম্ভাবনা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:৫০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০৯ Time View

ঢাকায় সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনার মিচেল লি বলেছেন, আন্তর্জাতিক কার্বন বাণিজ্যে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বড় সুযোগ রয়েছে। তিনি পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যৎ নির্মাণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের সংকট মোকাবিলায় দুই দেশের সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান।

মিচেল লি ঢাকায় সিঙ্গাপুর হাইকমিশনে ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড জাস্টিস ফাউন্ডেশনের (সিএজেএফ) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এ মন্তব্য করেন। বৈঠকে জলবায়ু কার্যক্রম, কার্বন বাণিজ্য, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্বন বাণিজ্য বাংলাদেশের জন্য নতুন অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।

সিঙ্গাপুরের উল্লম্ব কৃষি ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার তুলে ধরে মিচেল লি বলেন, এসব অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তিনি পানি ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি দক্ষতা ও খাদ্য উৎপাদনে সিঙ্গাপুরের প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করার ওপর গুরুত্ব দেন।

সিএজেএফের চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান মামুন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন শুধু পরিবেশগত সংকট নয়, এটি অর্থনীতি ও মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে সম্পর্কিত। দুই দেশের অভিজ্ঞতার সমন্বয় জলবায়ু মোকাবিলায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জানুয়ারিতে দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমার আয়োজনের তারিখ ঘোষণা

সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনারের মতে, কার্বন বাণিজ্যে বাংলাদেশের সম্ভাবনা

আপলোড সময় : ১২:৫০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকায় সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনার মিচেল লি বলেছেন, আন্তর্জাতিক কার্বন বাণিজ্যে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বড় সুযোগ রয়েছে। তিনি পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যৎ নির্মাণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের সংকট মোকাবিলায় দুই দেশের সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান।

মিচেল লি ঢাকায় সিঙ্গাপুর হাইকমিশনে ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড জাস্টিস ফাউন্ডেশনের (সিএজেএফ) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এ মন্তব্য করেন। বৈঠকে জলবায়ু কার্যক্রম, কার্বন বাণিজ্য, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্বন বাণিজ্য বাংলাদেশের জন্য নতুন অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।

সিঙ্গাপুরের উল্লম্ব কৃষি ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার তুলে ধরে মিচেল লি বলেন, এসব অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তিনি পানি ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি দক্ষতা ও খাদ্য উৎপাদনে সিঙ্গাপুরের প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করার ওপর গুরুত্ব দেন।

সিএজেএফের চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান মামুন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন শুধু পরিবেশগত সংকট নয়, এটি অর্থনীতি ও মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে সম্পর্কিত। দুই দেশের অভিজ্ঞতার সমন্বয় জলবায়ু মোকাবিলায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন