কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, আগামী দিনে ইরানের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য আরও বাড়ানো ও বহুমুখী করার ইচ্ছা রয়েছে। মোদি বলেন, ‘আমরা আমাদের বাণিজ্যিক পণ্যের পরিধি বাড়াতে এবং তা বহুমুখী করতে চাই।’
মোদি এই মন্তব্যটি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ শুরুর মাত্র সাত দিন পর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইরানের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এই বৈঠকটি গত ছয় মাসে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের পর দুই নেতার প্রথম সাক্ষাৎ।
ঐতিহাসিকভাবে ইরানের সঙ্গে ভারতের বড় ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ১৭ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা ১ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। মোদির মন্তব্য আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্ব পেয়েছে, কারণ এটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি জানান, প্রধানমন্ত্রী নতুন সম্ভাবনা খুঁজে দেখার কথা বলেছেন, যেগুলো ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বাস্তবায়ন করা সম্ভব। তিনি বলেন, ‘অর্থায়ন, বিমা, পরিবহন ও লজিস্টিক ব্যবস্থার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিতে হবে।’
ভারতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাসের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরান ও ভারতের মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর ব্যাপক সক্ষমতা রয়েছে। তারা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা শক্তিশালী করার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার প্রভাব মোকাবিলা করতে পারলে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবে।
অনলাইন ডেক্স 























