ঢাকা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সেনা সংখ্যা কমানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১১:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০৬ Time View

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পর উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি কমানোর কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক অবস্থান নতুন করে মূল্যায়ন করছে পেন্টাগন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সেখানে সৈন্য সংখ্যা কমানো এবং কিছু ঘাঁটি আগের অবস্থায় পুনর্নিমাণ না করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

পেন্টাগনের নীতি নির্ধারণী দপ্তরের নেতৃত্বে এই মূল্যায়ন চলছে। এতে জয়েন্ট স্টাফ ও ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডও যুক্ত রয়েছে। তবে পেন্টাগনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনার নির্দেশ দেননি।

বর্তমানে জর্ডান থেকে ওমান পর্যন্ত প্রায় ২০টি স্থানে প্রায় ৪০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। এ বছরের শুরু থেকে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে এবং ১৩ হাজারের বেশি হামলা চালিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

উপসাগরীয় অঞ্চলে বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর এবং কুয়েতসহ বিভিন্ন দেশে গুরুত্বপূর্ণ সেনা ও বিমানঘাঁটি রয়েছে। ইরানের সঙ্গে সংঘাতের পর এসব ঘাঁটির ভবিষ্যৎ নিয়ে পেন্টাগনের নতুন হিসাব-নিকাশ মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশলে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীপুরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইলিং, ৪ জন আটক

উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সেনা সংখ্যা কমানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

আপলোড সময় : ১১:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পর উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি কমানোর কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক অবস্থান নতুন করে মূল্যায়ন করছে পেন্টাগন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সেখানে সৈন্য সংখ্যা কমানো এবং কিছু ঘাঁটি আগের অবস্থায় পুনর্নিমাণ না করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

পেন্টাগনের নীতি নির্ধারণী দপ্তরের নেতৃত্বে এই মূল্যায়ন চলছে। এতে জয়েন্ট স্টাফ ও ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডও যুক্ত রয়েছে। তবে পেন্টাগনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনার নির্দেশ দেননি।

বর্তমানে জর্ডান থেকে ওমান পর্যন্ত প্রায় ২০টি স্থানে প্রায় ৪০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। এ বছরের শুরু থেকে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে এবং ১৩ হাজারের বেশি হামলা চালিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

উপসাগরীয় অঞ্চলে বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর এবং কুয়েতসহ বিভিন্ন দেশে গুরুত্বপূর্ণ সেনা ও বিমানঘাঁটি রয়েছে। ইরানের সঙ্গে সংঘাতের পর এসব ঘাঁটির ভবিষ্যৎ নিয়ে পেন্টাগনের নতুন হিসাব-নিকাশ মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশলে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন