ঢাকা ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমবঙ্গে পরপর ৩ খুন, নিহতরা মুসলিম: রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১০:০৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০২ Time View

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে কয়েক দিনের ব্যবধানে তিনটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বাঁকুড়ায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) কর্মী মোহাম্মদ মাফিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে রাজ্য সরকারকে ১০ দিনের সময়সীমা দিয়েছেন সিজেপির নেতা আশুতোষ রাঙ্কা।

রাঙ্কা নিহত মাফিকের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে বাঁকুড়ার ইন্দাসের কারিশুন্ডা গ্রামে যান। তিনি সঠিক তদন্তের জন্য স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে আদালতের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে, মাফিককে তাঁর বাড়িতে ঢুকে মারধর করা হয় এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান।

মাফিকের ছেলে আবদুল হাফিজ অভিযোগ করেছেন যে, তাঁর বাবাকে সিজেপির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তিনি বাবার স্মরণে একটি আন্তর্জাতিক মানের স্কুল প্রতিষ্ঠার দাবি করেছেন। রাঙ্কা এ দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, সিজেপি তাঁকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করবে।

এর আগে নদীয়া জেলায় কংগ্রেস নেতা আনিসুর রহমান ও তাঁর ছেলে আবু সুফিয়ানকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আনিসুর ও তাঁর ছেলে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন, তখন হামলাকারীরা তাঁদের ওপর গুলি চালায়। নিহতদের পরিবারের অভিযোগ, এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরপর এসব হত্যাকাণ্ডের কারণে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছে। পুলিশ পৃথক ঘটনাগুলোর তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং হত্যাকাণ্ডগুলোর মধ্যে সরাসরি কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীপুরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইলিং, ৪ জন আটক

পশ্চিমবঙ্গে পরপর ৩ খুন, নিহতরা মুসলিম: রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি

আপলোড সময় : ১০:০৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে কয়েক দিনের ব্যবধানে তিনটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বাঁকুড়ায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) কর্মী মোহাম্মদ মাফিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে রাজ্য সরকারকে ১০ দিনের সময়সীমা দিয়েছেন সিজেপির নেতা আশুতোষ রাঙ্কা।

রাঙ্কা নিহত মাফিকের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে বাঁকুড়ার ইন্দাসের কারিশুন্ডা গ্রামে যান। তিনি সঠিক তদন্তের জন্য স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে আদালতের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে, মাফিককে তাঁর বাড়িতে ঢুকে মারধর করা হয় এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান।

মাফিকের ছেলে আবদুল হাফিজ অভিযোগ করেছেন যে, তাঁর বাবাকে সিজেপির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তিনি বাবার স্মরণে একটি আন্তর্জাতিক মানের স্কুল প্রতিষ্ঠার দাবি করেছেন। রাঙ্কা এ দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, সিজেপি তাঁকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করবে।

এর আগে নদীয়া জেলায় কংগ্রেস নেতা আনিসুর রহমান ও তাঁর ছেলে আবু সুফিয়ানকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আনিসুর ও তাঁর ছেলে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন, তখন হামলাকারীরা তাঁদের ওপর গুলি চালায়। নিহতদের পরিবারের অভিযোগ, এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরপর এসব হত্যাকাণ্ডের কারণে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছে। পুলিশ পৃথক ঘটনাগুলোর তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং হত্যাকাণ্ডগুলোর মধ্যে সরাসরি কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন