চাঁপাইনবাবগঞ্জের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (২য় আদালত) বিচারক মো. উজ্জল মাহমুদের খাস কামরা আজ রোববার দুপুরে ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও দলটির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে আদালতের এজলাস কক্ষেও ভাঙচুর চালানো হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অবস্থানকারীদের সরিয়ে কোর্ট চত্বর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় স্থানীয় যুবদল নেতা তুফান আলীকে শনিবার দিবাগত রাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই মামলায় আরও ৪ বিএনপি নেতা আদালতে জামিন আবেদন করলে, তাদের জামিন মঞ্জুর করেন বিচারক। তবে তুফানের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেননি বিচারক উজ্জল মাহমুদ।
এ সময় বিচারক এজলাস থেকে উঠে গিয়ে তার খাস কামরায় অবস্থান করছিলেন। পরে বিচারকের খাস কামরা ও এজলাসে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আদালত চত্বরে বিক্ষোভ করেন এবং বিচারক উজ্জল মাহমুদকে অপসারণের আল্টিমেটাম দেন।
এদিকে, বিএনপি নেতাকর্মীরা ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিচারক তুফানের জামিনের বিষয়ে টালবাহানা করেছেন। পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল ওদুদ জানান, আসামির জামিনের আবেদনের আগেই বিচারক নেমে যান এবং এই ঘটনা বহিরাগতদের কাজ বলে উল্লেখ করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, বিচারকের খাস কামরা ভাঙচুরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
অনলাইন ডেক্স 























