গাড়ির ড্যাশবোর্ডে যখন ‘লো ফুয়েল লাইট’ জ্বলে ওঠে, তখন চালকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে যখন আশেপাশে কোনো ফিলিং স্টেশন নেই, তখন এই উদ্বেগ আরও বাড়ে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের একটি প্রতিবেদনে এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাড়ির জ্বালানি কমে গেলে ড্যাশবোর্ডে একটি সতর্কবার্তা জ্বলে ওঠে, যা সাধারণত ‘গ্যাস লাইট’ নামে পরিচিত। এই সংকেত জ্বলে ওঠার পর গাড়ি কত দূর যেতে পারে, তা নির্ভর করে গাড়ির মডেল, তৈরির বছর, জ্বালানি সাশ্রয় ক্ষমতা এবং চালকের অভ্যাসের ওপর। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অধিকাংশ গাড়ি এই সংকেত জ্বলে ওঠার পরও চালকের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে।
গাড়ির ফুয়েল ট্যাঙ্কে যখন মোট ধারণক্ষমতার ১০ থেকে ১৫ শতাংশ জ্বালানি অবশিষ্ট থাকে, তখনই এই সংকেতটি জ্বলে ওঠে। গাড়ির আকার ও ইঞ্জিনের ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে এই দূরত্বের তারতম্য ঘটে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, জ্বালানি কম থাকার সংকেত জ্বলে ওঠার পর দীর্ঘ সময় গাড়ি চালানো ইঞ্জিনের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তবে জরুরি প্রয়োজনে কিছু মাইল চালিয়ে নেওয়া ইঞ্জিনের জন্য খুব একটা ক্ষতিকর নয়।
নিরাপদ ভ্রমণের জন্য ড্যাশবোর্ডে তেলের বাতি জ্বলে উঠার সাথে সাথেই নিকটস্থ ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করা উচিত। এটি আপনাকে বিপদে পড়া থেকে বাঁচাবে এবং গাড়ির ইঞ্জিনের আয়ুও দীর্ঘ করবে।
অনলাইন ডেক্স 















