ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাঙ্গামাটিতে বরকলের নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে, ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:৪০:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • ২০১ Time View

রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় নতুন করে তলিয়ে গেছে ভুষনছড়া ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা। রোববার (১২ জুলাই) এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, ফলে পুরো উপজেলায় ২০ হাজারের অধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বৃষ্টি কমলেও পাহাড়ি ঢলের কারণে জলাবদ্ধতা কমছে না।

বিলাইছড়ি উপজেলায় পানি কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। অন্যদিকে, বাঘাইছড়ি ও লংগদু উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে জানা গেছে। রাঙ্গামাটি-বান্দরবান সড়কের শিলক ব্রিজঘাট সেতুর একটি অংশ ধসে পড়ায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। গত শনিবার সকাল থেকে এ সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন। তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ ও খাবার সরবরাহের বিষয়ে অবগত আছেন এবং সরকার তাদের পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

স্থানীয় প্রশাসন জানায়, দুর্গম এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় ত্রাণসহ প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্কের অভাবও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বরকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীব দাশ পুরাকায়স্থ জানান, গত দুদিনে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

বিলাইছড়ি উপজেলায় বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে। রোববার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে একটি প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছে। বাঘাইছড়ি উপজেলায়ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরতে শুরু করেনি, তবে প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যায় ১০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, মাথাপিছু নগদ বরাদ্দ ২৮ টাকা

রাঙ্গামাটিতে বরকলের নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে, ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী

আপলোড সময় : ০৪:৪০:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় নতুন করে তলিয়ে গেছে ভুষনছড়া ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা। রোববার (১২ জুলাই) এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, ফলে পুরো উপজেলায় ২০ হাজারের অধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বৃষ্টি কমলেও পাহাড়ি ঢলের কারণে জলাবদ্ধতা কমছে না।

বিলাইছড়ি উপজেলায় পানি কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। অন্যদিকে, বাঘাইছড়ি ও লংগদু উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে জানা গেছে। রাঙ্গামাটি-বান্দরবান সড়কের শিলক ব্রিজঘাট সেতুর একটি অংশ ধসে পড়ায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। গত শনিবার সকাল থেকে এ সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন। তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ ও খাবার সরবরাহের বিষয়ে অবগত আছেন এবং সরকার তাদের পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

স্থানীয় প্রশাসন জানায়, দুর্গম এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় ত্রাণসহ প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্কের অভাবও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বরকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীব দাশ পুরাকায়স্থ জানান, গত দুদিনে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

বিলাইছড়ি উপজেলায় বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে। রোববার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে একটি প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছে। বাঘাইছড়ি উপজেলায়ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরতে শুরু করেনি, তবে প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন