বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে ফ্রান্সের কাছে প্যারাগুয়ের হারের পর দেশটির সিনেটর সেলেস্তে আমারিলার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এমবাপ্পেকে নিয়ে তার করা মন্তব্যকে বর্ণবাদী আখ্যা দিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়।
এখন সিনেটর আমারিলার আইনজীবী গুইলার্মো দুয়ার্তে কাকাবেলোস জানিয়েছেন, এমবাপ্পের বিরুদ্ধে মানহানি ও অপবাদের অভিযোগ আনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এমবাপ্পের প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে প্যারাগুয়ের আদালতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হতে পারে।
দুয়ার্তে কাকাবেলোস ফরাসি সংবাদমাধ্যম লে প্যারিসিয়েনকে বলেন, 'যদি আদালত অভিযোগ গ্রহণ করে, তাহলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।' তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফ্রান্স ও প্যারাগুয়ের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির বিষয়টিও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
বিতর্কের সূত্রপাত হয়, যখন আমারিলা এমবাপ্পের জাতীয়তা ও পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এমবাপ্পে তার জবাবে বলেন, 'সে একজন জঘন্য নারী, যিনি নিজের পদের অযোগ্য।'
আইনজীবী জানান, এমবাপ্পের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, তা ফ্রান্সে চলমান তদন্তের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আমারিলার এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ৪৫ হাজার ইউরো জরিমানা হতে পারে।
এদিকে, আমারিলা নিজের অবস্থান থেকে সরে আসার কোনো ইঙ্গিত দেননি। তার আইনজীবী দাবি করেছেন, সিনেটরের মন্তব্য বাকস্বাধীনতার আওতায় পড়ে। তিনি বলেন, 'তিনি একজন সাধারণ নাগরিক এবং জাতীয় দলের সমর্থক হিসেবে ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করেছেন।'
এই বিতর্ক ইতোমধ্যে দুই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন তুলেছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্র্যো এমবাপ্পের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন, অন্যদিকে প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনা সিনেটরের মন্তব্যকে প্যারাগুয়ের মূল্যবোধের প্রতিফলন নয় বলে উল্লেখ করেছেন।
অনলাইন ডেক্স 























