ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থীর উত্তরপত্রে শিক্ষককে ‘বাবা’ ডাকায় আলোচনা-সমালোচনা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:৫১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • ২০৩ Time View

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী পরীক্ষার উত্তরপত্রে শিক্ষককে ‘বাবা’ ডাকলে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। উত্তরপত্রের ছবিটি প্রকাশ করার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নিজের ফেসবুক আইডিতে ওই উত্তরপত্রের ছবি শেয়ার করেন। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর অবস্থা দেখুন।’ উত্তরপত্রে দেখা যায়, শিক্ষার্থী প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়ার পরিবর্তে অসংলগ্ন ও ভুল বানানে বিভিন্ন বাক্য লিখেছে।

নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ শিক্ষার্থীর ভাষাগত দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, আবার কেউ বলেছেন, এটি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার মানের প্রতিফলন। হাতিয়া উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি আ ন ম হাসান বলেন, ‘একটি উত্তরপত্র দেখে পুরো শিক্ষাব্যবস্থার মূল্যায়ন করা ঠিক হবে না।’

বিদ্যালয়ের শিক্ষক জানান, উত্তরপত্রটি শিক্ষার বর্তমান বাস্তবতা তুলে ধরার উদ্দেশ্যে শেয়ার করেছেন। তিনি বলেন, ‘কাউকে হেয় করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না। শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি দূর করতে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’ স্থানীয়রা মনে করেন, এমন ঘটনা শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি ও মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাভারে বিস্ফোরণ নিয়ে নাহিদের মন্তব্য রাজনৈতিক: তথ্য উপদেষ্টা

শিক্ষার্থীর উত্তরপত্রে শিক্ষককে ‘বাবা’ ডাকায় আলোচনা-সমালোচনা

আপলোড সময় : ০২:৫১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী পরীক্ষার উত্তরপত্রে শিক্ষককে ‘বাবা’ ডাকলে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। উত্তরপত্রের ছবিটি প্রকাশ করার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নিজের ফেসবুক আইডিতে ওই উত্তরপত্রের ছবি শেয়ার করেন। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর অবস্থা দেখুন।’ উত্তরপত্রে দেখা যায়, শিক্ষার্থী প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়ার পরিবর্তে অসংলগ্ন ও ভুল বানানে বিভিন্ন বাক্য লিখেছে।

নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ শিক্ষার্থীর ভাষাগত দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, আবার কেউ বলেছেন, এটি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার মানের প্রতিফলন। হাতিয়া উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি আ ন ম হাসান বলেন, ‘একটি উত্তরপত্র দেখে পুরো শিক্ষাব্যবস্থার মূল্যায়ন করা ঠিক হবে না।’

বিদ্যালয়ের শিক্ষক জানান, উত্তরপত্রটি শিক্ষার বর্তমান বাস্তবতা তুলে ধরার উদ্দেশ্যে শেয়ার করেছেন। তিনি বলেন, ‘কাউকে হেয় করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না। শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি দূর করতে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’ স্থানীয়রা মনে করেন, এমন ঘটনা শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি ও মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন