ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে চাপ দিয়ে আসছিলেন। গত বছর ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন। তবে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার পর ট্রাম্প আন্তর্জাতিক বাজারে রুশ ডিজেল আনার একটি চুক্তিতে সই করেছেন।
৯ অক্টোবর ট্রাম্প পুতিনের সঙ্গে আলোচনার পর এই চুক্তির ঘোষণা দেন। চুক্তি অনুযায়ী, রাশিয়া ৩ লাখ টনের বেশি ডিজেল সরবরাহ করবে, যার পর নভেম্বরে আরও ৫ লাখ টন এবং পরবর্তীতে ১০ লাখ টন সরবরাহ করা হবে। মার্কিন কৃষি ও পরিবহন খাতে ডিজেল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাশিয়ার শোধনাগার অবকাঠামোর ক্ষতি এবং ডিজেল রপ্তানিতে বিধিনিষেধের কারণে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরবরাহের পরিমাণ পূরণ করা সহজ হবে না। ফলে মার্কিন বাজারে ডিজেলের দামে বড় কোনো পরিবর্তন আসবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
ট্রাম্প কি ভারতের দীর্ঘদিনের উদ্বেগকে স্বীকৃতি দেবেন, তা এখন দেখার বিষয়। মার্কিন কংগ্রেসের চাপের কারণে জ্বালানির দাম বাড়লে প্রশাসন নতুন সরবরাহ খুঁজতে বাধ্য হবে। তবে দাম কমলে ট্রাম্পের জন্য রুশ জ্বালানি ক্রেতাদের ওপর চাপ বজায় রাখা সহজ হবে।
ভারতের অবস্থান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ট্রাম্পকে রাশিয়ার বিষয়ে ভারতের অবস্থান সমর্থন করতে হবে না, তবে রাজনৈতিক চাপের কারণে ভারতের প্রতি কোনো ছাড় দেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
তথ্যসূত্র: দ্য ইকোনমিক্স টাইমস
অনলাইন ডেক্স 






















