ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে যন্তর মন্তরে ঢোকার অভিযোগে পাঁচ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে তাদের মন্দির মার্গ থানায় ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হলে দিল্লি পুলিশের যুক্তি মেনে তাদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। অন্য নেতা অজিঙ্ক শিন্ডেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তবে তাকে শান্তি ভঙ্গ না করার শর্তে ছাড়া হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে আশুতোষ, সৌরভ ও অজিঙ্ক পুলিশের নজর এড়িয়ে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করেন। চত্বরের সব প্রবেশপথে ব্যারিকেড ও পুলিশি প্রহরা থাকা সত্ত্বেও তারা একটি লোহার ফটক পেরিয়ে ভিতরে চলে যান। সেখানে তারা জাতীয় পতাকা উড়িয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও এসআইআর বাতিলের দাবি জানান এবং কেন্দ্রীয় সরকারবিরোধী স্লোগান দেন।
পুলিশ কিছুক্ষণ পর তাদের আটক করে এবং গভীর রাতে গ্রেপ্তার দেখায়। সিজেপির অভিযোগ, আটক থাকার সময় আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি এবং ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। বুধবার ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার সময় পুলিশ জানায়, নেতারা বেআইনিভাবে যন্তর মন্তরে ঢুকেছেন এবং মুক্তি পেলে আবারও অশান্তি সৃষ্টি করতে পারেন।
জেল হেফাজতের খবর পেয়ে সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে বলেন, তাদের অপরাধ কী? তিনি মোদিকে ‘কাপুরুষ’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ভিন্নমত দমাতে হলে খোলাখুলি জরুরি অবস্থা জারি করতে হবে।
এ ঘটনায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে জাতীয় পতাকা উড়ানো কোনো অপরাধ নয় এবং তরুণদের জেলে পাঠানো কাপুরুষতা। তিনি নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার দাবি করার কথা উল্লেখ করেন।
অনলাইন ডেক্স 






















