বাংলাদেশি চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও ফেলোশিপের সুযোগ দিতে চীন ও পাকিস্তান তাদের সহযোগিতা প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
মন্ত্রী বলেন, চীন বাংলাদেশি চিকিৎসকদের ফেলোশিপে নেওয়ার পাশাপাশি দেশটির হাসপাতালগুলোতে প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছে। চীনা চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশে এসে চিকিৎসকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেবেন এবং প্রয়োজন হলে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের চীনে নিয়ে গিয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
পাকিস্তানের সহযোগিতার বিষয়েও মন্ত্রী উল্লেখ করেন, পাকিস্তান বাংলাদেশ থেকে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পাকিস্তানি চিকিৎসকরাও বাংলাদেশে এসে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেবেন। এই ধরনের সহযোগিতা বাংলাদেশের চিকিৎসকদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার সুযোগ সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।
মন্ত্রী থ্যালাসেমিয়া ও এইচআইভি সহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে চিকিৎসকদের জনসচেতনতা তৈরিতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, রোগীর চিকিৎসার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরি করা চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
বিয়ের আগে বর-কনের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, স্বামী ও স্ত্রী দুজনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে তাদের সন্তানের থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা করানো উচিত।
অনলাইন ডেক্স 



















